NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২৭, ২০২৬ | ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-মায়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে: আইএইএ প্রধান যে কারণে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক বাতিল হলো রূপকথা লিখে আর্জেন্টিনাকে পেল কেপ ভার্দে, সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় চীন সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে : শি জিনপিং বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী কেতন হত্যায় পরস্পরকে দুষছেন সিয়া-চেতন ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৮৮ আর্জেন্টিনা-স্পেন শেষ ৩২-এ মুখোমুখি হতে পারে অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
Logo
logo

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বাজার হবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৩:৫৭ পিএম

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বাজার হবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা: ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ জার্মানি ও যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বাজারে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ বছর এবং সামরিক সরকারের পরবর্তী বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ মন্দার কবলে পড়েছিল। আজকের বাংলাদেশ একটি সাফল্যের গল্পগাথা। এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য উপযোগী অবকাঠামো করা হয়েছে।

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সব খাত উন্মুক্ত।

 

আজ বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রিন ইনভেস্টমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ভৌগোলিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের ৩০০ কোটি মানুষের বাজারের কেন্দ্রস্থল। ২০৩০ সালের মধ্যে জার্মানি ও যুক্তরাজ্যকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বাজারে পরিণত হবে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন বিশ্বের বর্ধনশীল পাঁচটি অর্থনীতির একটি। জিডিপিতে আমরা বিশ্বের ৩৫তম এবং ২০৩৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ২০তম জিডিপির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ৯৬ সালে সরকার গঠন করে। সুচিন্তিত এবং পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকি।

বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর সব উন্নয়নের কাজ থমকে যায়। ২০০৯ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর আমরা দেশকে সুপরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যাই। আমরা স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে দেশ গঠনের কাজে মনোনিবেশ করি। গণতান্ত্রিক পরিবেশ, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সরকারের ধারাবাহিকতা এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি দ্রুত বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে।