NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬ | ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

মেসির সঙ্গে খেলার স্বপ্নে বিভোর গ্রিজম্যান


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০১:০৭ পিএম

মেসির সঙ্গে খেলার স্বপ্নে বিভোর গ্রিজম্যান

লিওনেল মেসির পথ ধরে আমেরিকান মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) বেশ কয়েকজন ইউরোপ কাঁপানো ফুটবলার যোগ দিয়েছেন। সেই তালিকায় নিজের নাম লেখার কথা আগেই জানিয়েছিলেন মেসির সাবেক বার্সেলোনা সতীর্থ অ্যান্তোনি গ্রিজম্যান। এখনও সেই স্বপ্নে বিভোর বিশ্বকাপজয়ী এই ফরাসি মিডফিল্ডার। এর মাঝে সৌদি আরবের লিগে খেলার গুঞ্জন থাকলেও, গ্রিজম্যান এমএলএস-কেই প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এর আগে ক্যারিয়ারের শেষ সময়টা মেসির সঙ্গে আমেরিকায় কাটানোর ইচ্ছার কথা বলেছিলেন গ্রিজম্যান। এরপর থেকে ধারণা করা হচ্ছিল চলতি মৌসুম শেষেই এই তারকা মিডফিল্ডারকে এমএলএসে খেলতে দেখা যাবে। মেসির গুনমুগ্ধ গ্রিজম্যান আমেরিকান ফুটবলের নবজোয়ার দেখে বেশ খুশি। আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে দেখতে যে স্টেডিয়ামে উন্মাদনার দেখা মেলে তাতেও তিনি বিস্মিত।

কেবল এমএলএস-ই নয়, এই ফরাসি ফুটবলারের লক্ষ্য ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলা। স্প্যানিশ ক্লাব অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের তার চুক্তি ২০২৬ সাল পর্যন্ত। তবে এর ভেতরই মেসির ক্লাবটিতে তিনি যোগ দিতে পারেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

 

বর্তমানে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইয়ের ম্যাচে ব্যস্ত সময় পার করছেন গ্রিজম্যান। সেখানেই তার জাতীয় দল সতীর্থ এনগালো কান্তে ও করিম বেনজেমার মতো সৌদি আরবে যাবেন কিনা সেই প্রসঙ্গ উঠেছিল। যার জবাবে এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার এমএলএস নিয়েই নিজের ধ্যান-জ্ঞানের কথা আবারও নিশ্চিত করেছেন।

গ্রিজম্যানের ভাষ্য, ‘সৌদি আরব? আমি বুঝতে পারছি সেখানে কারা গেছে। আমরা এখানে বিশাল অঙ্কের অর্থের কথা বলতে পারি। আমরাও অনেক অর্থ আয় করছি, কেউ কেউ তাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের বাঁচাতে চায়। এটি আমার স্বাভাবিক মনে হয়। আমি সেখানে যেতে পারি কিনা? আমার পরিবার আছে, আছে সন্তানও। তাই আমার জন্য এটি সহজ কোনো সিদ্ধান্ত নয়। তবে এখনও আমার সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি এমএলএস।’

আমেরিকান স্পোর্টসের প্রতি এই ফরাসি ফুটবলারের পছন্দের কথা কারও অজানা নয়। খেলার বিরতিতে তাকে সেখানকার ন্যাশনাল বাস্কেটবল প্রতিযোগিতায়ও হাজির হতে দেখা গিয়েছিল। এছাড়া আমেরিকান ফুটবল এবং বেসবলেও তার আগ্রহ রয়েছে। ফ্যান্টাসি লিগে খেলার সুবাদে তিনি সেখানকার স্পোর্টসের প্রেমে পড়েছিলেন।