NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ | ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

সিটি নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ১০:৪৯ এএম

সিটি নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

মানুষ যাতে সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারে, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিটি নির্বাচনগুলোতে মানুষ সুন্দরভাবে ভোট দিয়েছে। কাজেই এ নির্বাচন নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন তুলতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সকালে গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় বক্তব্য দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাদের বলব আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচন স্বচ্ছ হয়। মানুষ যাতে নির্বাচনে ভোট দিতে পারে আওয়ামী লীগ সরকার সে ব্যবস্থা করে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যে সঠিক ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে পারি, এটা নিয়ে আর প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই।’

‘যেসব দেশ আমাদের নির্বাচনের দিকে শ্যেনদৃষ্টিতে (তীক্ষ্ণদৃষ্টি) তাকিয়ে আছে, তাদের বলব, আমাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ও উপনির্বাচন যেগুলো হয়েছে, সেগুলো দেখুন। কীভাবে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছে,’ - এরপরও আবার কেন প্রশ্ন ওঠে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বিএনপি আমলের নির্বাচন নিয়ে বলেন, ‘তেজগাঁওয়ে খালেদা জিয়ার প্রিয় ব্যক্তিত্ব ফালুর ইলেকশন হলো, তখন একটা মানুষও নির্বাচন করতে পারেননি, ভোট দিতে পারেননি। একই ঘটনা মাগুরার উপনির্বাচনে। বিএনপির নির্বাচনের সময় মানুষকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়েছিল।’

তিনি বলেন, প্রত্যেকটা নির্বাচনের সময় বিএনপি এ রকম সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে। তাদের আন্দোলন যেমন সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে মানুষকে হত্যা করা, তেমনি নির্বাচনের সময়ও তারা একই রকম কাজ করে। ভোট ডাকাতি করে তাদের জন্ম, যে কারণে তাদের অভ্যাস জনগণের ভোট ডাকাতি করা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা জনগণের ভোটাধিকার তাদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছি। জনগণকে সচেতন করেছি। আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দিব’- এ স্লোগানকে আওয়ামী লীগ বাস্তবায়ন করেছে।