প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপচয় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মাত্র তিন মাসের মধ্যে তিনি দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ করে কীভাবে দেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তার পথ দেখাচ্ছেন।

তার কয়েকটি পদক্ষেপ জনগণের কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সর্বশেষ উদাহরণ হলো, সরকারি অর্থের অপচয় না করে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার কারণে এক দিকে যেমন টি স্পোর্টস, বিটিভি ও সময় টিভি বিশ্বকাপের খেলাগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে। তেমন রাষ্ট্রের প্রায় দেড় শ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

 

সিঙ্গাপুরের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ‘স্প্রিংবক প্রাইভেট লিমিটেড’ শুরুতে ফিফার কাছ থেকে এ সম্প্রচারস্বত্ব কিনে নিয়েছিল। তারা বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোর কাছে ১৫১ কোটি টাকায় বিক্রির প্রস্তাব দেয়। কর, ভ্যাটসহ যার মোট মূল্য দাঁড়াত প্রায় ২০০ কোটি টাকা। চড়া মূল্যের কারণে কোনো চ্যানেল এটি কিনতে রাজি হয়নি।

এ সময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখাতে পারবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সরকার জনগণের বিপুল অর্থ এভাবে অপচয় না করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশ যখন স্প্রিংবকের কাছ থেকে বিশ্বকাপ সম্প্রচার কিনতে অস্বীকৃতি জানিয়ে দেয়, তখন প্রতিষ্ঠানটি বাধ্য হয়ে খেলার স্বত্ব ফিফাকে ফেরত দেয়।

 

এরপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাফুফে সভাপতি ও তথ্য মন্ত্রণালয় সরাসরি ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং গতবারের চেয়েও কম দামে বিশ্বকাপ সম্প্রচার করার স্বত্ব কিনে নেয়। বাংলাদেশের ফুটবল বিশ্বকাপ দেখাতে মোট খরচ হচ্ছে ৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা।