মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আর্কটিক দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চাপের প্রেক্ষাপটে বুধবার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।
সম্প্রতি ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি জোরদার করার পর রুবিওর সঙ্গে বৈঠকের অনুরোধ করেছিলেন ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লারস লোকি রাসনুসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান মোটজফেল্ট। গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের রাজ্যের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
কোপেনহেগেনে মঙ্গলবার রাসমুসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সও বৈঠকে অংশ নিতে চেয়েছেন এবং তিনিই বৈঠকটি আয়োজন করবেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে বৈঠকের অনুরোধ করেছিলাম, তার উদ্দেশ্য ছিল এই পুরো আলোচনাকে… এমন একটি কক্ষে আনা, যেখানে আমরা একে অপরের চোখে চোখ রেখে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারি।’
ট্রাম্প ২০১৯ সালে তার প্রথম মেয়াদকালে প্রথমবার গ্রিনল্যান্ড দখলের ধারণা উত্থাপন করেন, যদিও নিজ দলসহ ওয়াশিংটনে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা রয়েছে।
ডেনমার্ক শতাব্দীর পর শতাব্দী গ্রিনল্যান্ড শাসন করলেও ১৯৭৯ সাল থেকে অঞ্চলটি ধীরে ধীরে স্বাধীনতার দিকে এগোচ্ছে।
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পলসেন বলেন, আগামী সপ্তাহের সোমবার ব্রাসেলসে ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুত্তের সঙ্গে আর্কটিক নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠকে তিনি গ্রিনল্যান্ডের মোটজফেল্টের সঙ্গে অংশ নেবেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, গ্রিনল্যান্ডে ২০২৬ সালে ডেনমার্কের বৃহত্তর সামরিক উপস্থিতির পরিকল্পনা রয়েছে। এতে অন্যান্য ন্যাটো দেশও মহড়া ও প্রশিক্ষণে অংশ নেবে।
পুলসেন বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে ন্যাটোর ভেতরে আলোচনা করা ডেনমার্কের একটি অগ্রাধিকার—বিশেষ করে আর্কটিকে ও তার আশপাশে ন্যাটোর উপস্থিতি-সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে আরো বেশি মনোযোগ আনার জন্য।


