সিয়াটলে ঘুরে দাঁড়াতে জানপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করছেন সতীর্থরা। বিপরীতে ৫৭ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক ভুল করে বসলেন যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজ।

বল ক্লিয়ার করতে ডি বক্সে ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে ঠিকমতো শটই নিতে পারলেন না তিনি। 

 

ফল বলের নিয়ন্ত্রণ পান বেলজিয়ামের ডিফেন্ডার ম্যাক্সিম ডি কুইপার। তার কাছ থেকে পরে বল পান হান্স ফানাকান। বল পেয়েই ফাঁকা গোলবারে শট নেন তিনি।

তবে বল জালে জড়ানোর আগে ঠেকানোর সুযোগ ছিল টিম রিমের। তিনিও মিস করায় ৩-১ গোলের লিড নেয় বেলজিয়াম। 

 

গোলটি হতেই তখন সিয়াটলে পিনপতন নীরবতা। হওয়াটাই স্বাভাবিক।

জয় নিয়ে ঘরে ফেরার বিপরীতে হার যে তখন ঝেঁকে বসেছে সবার মনে। পরে তাই হয়েছে। ব্যবধানটা আরও বেড়েছে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের জালে চতুর্থ গোলটি করেন রোমেলু লুকাকু।

 

তাতে লুকাকুর ডান পায়ের শটটি যেন শুধু জালেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের হৃদয়েও আঘাত হানে।

৪-১ গোলে হারায় ঘরের বিশ্বকাপের যাত্রা যে শেষ হলো তাদের। দর্শক হয়ে বাকি অংশ দেখতে হবে তাদের।

 

ম্যাচ শুরু হতেই এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। ৯ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে সহজ গোলটি করেন চার্লস ডি কেটেলার। ৩১ মিনিটে অবশ্য ঠিকই ম্যাচে ফেরে যুক্তরাষ্ট্র। বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক ফ্রি কিকে সমতাসূচক গোলটি করেন মালিক টিলম্যান।

কিন্তু আনন্দটা বেশিক্ষণ টেকেনি। ২ মিনিট পরেই নিজের জোড়া ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন কেটেলার। তার জোড়া গোলেই পরে ২-১ ব্যবধানে বিরতিতে যায় বেলজিয়াম। বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষকের অবিশ্বাস্য ভুল আর লুকাকুর দারুণ গোলে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পায় বেলজিয়াম। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন।