পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পরই ভাঙন দেখা দিয়েছে দলটিতে। একে একে অনেকেই টিএসসি থেকে ইস্তফা দিয়ে ভিড়ছেন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও নামসর্বস্ব দলে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিল্লিতে উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণণের কাছে পদত্যাগ জমা দেন তিনি।
কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পদত্যাগের পরই বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করেন এই অভিনেত্রী।
চলতি মাসে রাজ্যসভার তিন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপিতে যোগদানের পরই তিনজনকেই মনোনয়ন দিয়ে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে বিজেপি। এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কোয়েলের সাক্ষাতের পরেই তৈরি হয়েছে জল্পনা।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পরে একবারও সংসদের কোনো অধিবেশনে যোগ দেওয়া হয়নি কোয়েলের। সোমবার থেকে বর্ষার অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সাংসদপদ পাওয়ার পরে সেটাই হতে পারত কোয়েলের প্রথম অধিবেশন। কিন্তু তার আগেই তিনি ইস্তফা দিলেন।
এর আগে দিল্লির ভূপেন্দ্রের বাড়িতেই দফায় দফায় বৈঠক করে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। নেতৃত্বে ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
তার পরেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদেরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে জানান, টিএমসির ২০ সাংসদ এনসিপিআইতে মার্চ করছেন।
এই বিদ্রোহীদের সমন্বয়ের নেপথ্যে অন্যতম ভূমিকা পালন করছেন বিজেপির এই কেন্দ্রিয় মন্ত্রী। তাই তাঁর সঙ্গে কোয়েলের সাক্ষাৎ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


