NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প বাবার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই : পূজা চেরী ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের
Logo
logo

হাত-পা বেঁধে নির্জন কারাগারে নেওয়া হলো ২ হাজার বন্দিকে


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:১১ পিএম

>
হাত-পা বেঁধে নির্জন কারাগারে নেওয়া হলো ২ হাজার বন্দিকে

মধ্য আমেকিার দেশ এল সালভাদোরে নতুন করে তৈরি করা একটি কারাগারে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার বন্দিকে। কঠোর নিরাপত্তা বজায় রেখে শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর বেলা হাত-পা বেঁধে এসব বন্দিদের স্থানান্তর করা হয়।

রাজধানী স্যান সালভাদোর থেকে ৭৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নির্জন অঞ্চল স্যান ভিসেন্তেতে ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জানুয়ারির মধ্যে এ কারাগারটি তৈরি করা হয়। কারাগারটিতে সব মিলিয়ে আটটি ভবন রয়েছে। প্রত্যেক ভবনে সেল রয়েছে ৩২টি। একেকটি সেলে ১০০ জনেরও বেশি মানুষকে বন্দি রাখা যায়। তবে প্রত্যেকটি সেলে মাত্র দুটি সিংক এবং একটি টয়লেট রয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছিল।

গ্যাং সদস্যদের উৎপাত বাড়ার পর এল সালভাদোরো তাদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে দেশটির আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। এই অভিযানে ৬৪ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া রহিত করা হয়েছে তাদের বিভিন্ন মানবাধিকারও।

বন্দিদের স্থানান্তরের ব্যাপারে এল সালভাদোরের প্রেসিডেন্ট নাইয়েব বুকেলে স্থানীয় সময় শুক্রবার এক টুইটে বলেছেন, ‘ভোর বেলা, একক অপারেশনে, আমরা বন্দিদের নতুন কারাগারে নিয়ে গেছি। এটি হবে তাদের নতুন বাড়ি, এখানে তারা কয়েক দশকের জন্য থাকবে, সবাই একসঙ্গে। তারা আর সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’

গত বছর ‘স্টেট অব এক্সসেপশন’ নামের বিতর্কিত একটি আইন পাস করে এল সালভাদোর। ওই আইন অনুযায়ী, গ্যাং সদস্যদের আইনজীবির সুবিধা পাওয়া এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগের অধিকার রহিত করা হয়। এছাড়া ওই আইনে কোনো ওয়ারেন্ট ও কারণ ছাড়া যে কাউকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয় পুলিশকে।

এ নিয়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো আপত্তি জানিয়েছিল। কারণ তাদের মতে, অনেক নিরপরাধ ব্যক্তিও পুলিশের হাতে আটক হয়ে অন্যায়ভাবে জেলে গিয়েছেন।

তবে এল সালভাদোরের ভেতরই অনেকে গ্যাং বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। কারণ অভিযান শুরুর পর গ্যাং সদস্যদের কয়েক দশকব্যাপী চলা সহিংসতা কমে এসেছে।

এদিকে স্যান ভিসেন্তেতে যে নির্জন কারাগারটি তৈরি করা হয়েছে, সেটিতে একসঙ্গে ৪০ হাজার বন্দিকে রাখা সম্ভব। প্রথম ধাপে দুই হাজার জনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে আরও অনেককে নিয়ে যাওয়া হবে।

অনেকের আশঙ্কা এসব গ্যাং সদস্য ওই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে যেতে পারেন। তবে এল সালভাদোরের আইন ও বিচারমন্ত্রী গুস্তাভো ভিলাতোরো জানিয়েছেন, তারা কখনো মুক্ত হবে না। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এ ক্যান্সারকে আমাদের সমাজ থেকে ছেঁটে ফেলছি। জেনে রাখুন এ কারাগার থেকে কখনো মুক্তি পাবেন না। আপনারা যা তার জন্য মূল্য দিতে হবে…কাপুরুষ সন্ত্রাসী।’