NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

ধ্বংসস্তূপে জন্ম নেওয়া সেই শিশুকে দত্তক নিতে কয়েকশ আবেদন


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:২০ পিএম

>
ধ্বংসস্তূপে জন্ম নেওয়া সেই শিশুকে দত্তক নিতে কয়েকশ আবেদন

সিরিয়ার আলেপ্পো শহরে সোমবার ভূমিকম্পে ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় সদ্য ভূমিষ্ঠ এক মেয়ে শিশুকে। ওই শিশুটিকে যখন ধ্বংসস্তূপের নিচে পাওয়া যায় তখনো তার মায়ের নাড়ির সঙ্গে তার নাড়ি জোড়া অবস্থায় ছিল।

অলৌকিভাবে শিশুটি বেঁচে গেলেও তার বাবা-মা ও ভাই বোন সবাই মারা গেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জন্মের পরই সব হারানো শিশুটিকে এখন দত্তক নিতে আবেদন জানিয়েছেন কয়েকশ মানুষ।

বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটির নাম রাখা হয়েছে আয়া। আরবিতে যার অর্থ অলৌকিক।

আয়াকে চিকিৎসা দিচ্ছেন হানি মারুফ নামের একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেছেন, ‘আয়াকে সোমবার আনা হয়। তখন তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। তার শরীরে অসংখ্য ক্ষত ছিল। তার শরীর ঠাণ্ডা এবং শ্বাসকষ্ট ছিল। কিন্তু তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, শিশু আয়াকে উদ্ধার করে নিয়ে দৌড় দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। তখন শিশুটির শরীরে কোনো কাপড় ছিল না।

আয়াকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে আসেন তার এক দুর সম্পর্কের আত্মীয়। তাকে দত্তক নিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ওই হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন অসংখ্য মানুষ। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে তাকে দত্তক নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

কুয়েতের একজন টিভি উপস্থাপিকা সরাসরি বলেছেন, ‘আমি এ শিশুটিকে দেখাশুনা ও দত্তক নিতে চাই, যদি আইনগতভাবে কোনো বাধা না থাকে।’