NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬ | ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’ বিজেপি ছাড়তেই অভিনেত্রীকে ধর্ষণের হুমকি আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প
Logo
logo

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১০৮


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১২:২০ পিএম

ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১০৮

ঢাকা: ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো ১০৮ জন। গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নতুন রোগীদের ৬৭ জন ঢাকার বাসিন্দা।

 

অন্যান্য বিভাগের ৪১ জন। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি ১৭ জন রোগী পাওয়া গেছে চট্টগ্রাম জেলায়। এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি রোগী ৫৮০ জন।

 

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগী ৬১ হাজার ৬২৯ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ২৭২ জনের।

বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়ায় দেশে এডিস মশার প্রজনন কমে এসেছে। এতে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাও কমতে শুরু করেছে। এই ধারা আরো কয়েক মাস অব্যাহত থাকবে। এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি আবার এডিস মশা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা শূন্য হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি ডিসেম্বরে আক্রান্ত হয়েছে চার হাজার ২৭১ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। এর আগের নভেম্বর মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় ১৯ হাজার ৩৩৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ১১৩ জনের। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গুতে মৃত্যুর একক মাস।

এর আগে ২০১৯ সালে দেশে সর্বোচ্চ এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়। সে বছর মৃত্যু হয় ১৬৪ জনের। ২০২০ সালে আক্রান্ত হয় এক হাজার ৪০৫ জন, মৃত্যু হয় সাতজনের। আর ২০২১ সালে আক্রান্ত হয় ২৮ হাজার ৪২৯ জন এবং মৃত্যু হয় ৭৫ জনের।