NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬ | ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’ বিজেপি ছাড়তেই অভিনেত্রীকে ধর্ষণের হুমকি আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প
Logo
logo

শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে : রাষ্ট্রপতি


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০১:৪৯ এএম

শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, শান্তি চুক্তির ফলে পার্বত্য জেলাগুলোর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথ সুগম হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি দিবস ২০২২’ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আগামীকাল শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি দিবস ২০২২’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এ বছর দিবসটির রজত জয়ন্তি উদযাপন উপলক্ষে আমি বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় জনগণকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। '

আবদুল হামিদ বলেন, 'আবহমানকাল থেকে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তির অনন্য নিদর্শন।

 

যুগযুগ ধরে এদেশের সকল ধর্ম, গোত্র ও বর্ণের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করে আসছে। বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, আর সেখানে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর বর্ণিল ভাষা- সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও জীবনাচার এই অঞ্চলকে পর্যটকদের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করেছে। '


‘বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চল একসময় ছিল অশান্ত ও অবহেলিত' জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, 'কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকারের উদ্যোগে গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এক ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ফলে পার্বত্য জেলাগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথ সুগম হয়, সূচিত হয় শান্তির পথচলা। ’

 

তিনি বলেন, 'শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই উদ্যোগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। '

রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা করেন, শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে পার্বত্য জেলাগুলোতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চলমান ধারা আরো বেগবান হবে।

তিনি পার্বত্য জেলাসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে অধিকতর অবদান রাখারও আহ্বান জানান। সূত্র  : বাসস।