NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ | ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’ বিজেপি ছাড়তেই অভিনেত্রীকে ধর্ষণের হুমকি আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প
Logo
logo

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সরানো হলো আমির-কিয়ারার বিজ্ঞাপন


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:১৪ এএম

>
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সরানো হলো আমির-কিয়ারার বিজ্ঞাপন

বরাবরই ছক ভাঙতে ওস্তাদ বলিউড সুপারস্টার আমির খান। সিনেমা থেকে শুরু করে পণ্যের বিজ্ঞাপন— সবখানেই নতুনত্বের ছোঁয়া দিতে চান ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। সাম্প্রতিককালে সময়টা ভালো কাটছে না খান সাহেবের। ‘লাল সিং চাড্ডা’ বক্স অফিসে ব্যর্থ হলো। এরপর সরিয়ে নেওয়া হলো তার অভিনীত নতুন বিজ্ঞাপনও।

আমির-কিয়ারা জুটির প্রথম কাজ। আর শুরুতেই তাদের সঙ্গী বিতর্ক। যেখানে দেখানো হয়েছে, আমিরকে বিয়ে করে নিজের বাড়িতে এনেছেন কিয়ারা। অর্থাৎ কনে নয়, বিয়ের পর নিজের বাড়ি ছেড়ে এসেছেন বর। চিরাচরিত নিয়মের বাইরে গিয়ে ছক ভাঙার বার্তা দিয়েছে বিজ্ঞাপনটি। শুধু তাই নয়। দেখানো হয়েছিল, কিয়ারার অসুস্থ বাবার দেখাশোনার দায়িত্বও আমিরের।

কিয়ারা এবং আমির অভিনীত বিজ্ঞাপনটি নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। সমালোচনার তির ধেয়ে আসে দুই তারকার দিকেও। ব্যাংকিং সংস্থার বিজ্ঞাপনে হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে কাটাছেঁড়া কেন, প্রশ্ন তুলেছিলেন 'দ্য কাশ্মীর ফাইলস'-এর পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীও।

অবশেষে, নেটমাধ্যম থেকে সরিয়ে দিতে হলো আমির খান এবং কিয়ারা আদভানি অভিনীত ব্যাংকিং সংস্থার বিজ্ঞাপনটি। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভাবাবেগে আঘাত করেছে ওই বিজ্ঞাপন, এমনটাই অভিযোগ। ফলত চাপের মুখে পড়ে সেটি তুলে নিতে বাধ্য হয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপনে হিন্দু বিয়ের এই রীতি বদল অনেকেই ভালোভাবে নেননি। পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর প্রশ্ন, ‘আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না, ব্যাংকগুলো কবে থেকে সামাজিক এবং ধর্মীয় রীতি বদলের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিল।’

যদিও অনেকেই মনে করছেন, সংকীর্ণ মানসিকতার কাছে পরাজয় স্বীকার করতে হচ্ছে মুক্ত চিন্তার প্রদর্শনকে। এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে দিন বদলের বার্তা দিয়েছিল ব্যাংকটি। কিন্তু জনরোষের মুখে পড়ে শেষমেশ পিছু হঠতে হয়েছে তাদের।