NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প বাবার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই : পূজা চেরী ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের
Logo
logo

ইরানের নৈতিক পুলিশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৭:৪৬ এএম

>
ইরানের নৈতিক পুলিশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ইরানের নৈতিকতা পুলিশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানি নারীদের ওপর নির্যাতন ও দমন-পীড়নের অভিযোগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) ইরানের এই পুলিশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেশটি।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিজাব আইন লঙ্ঘনের অপরাধে পুলিশের হাতে আটক ২২ বছর বয়সী এক তরুণীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানে। প্রতিবাদ-বিক্ষোভের বড় অংশজুড়ে রয়েছেন নারীরাই। আর এই বিক্ষোভের মধ্যেই ইরানের নৈতিকতা পুলিশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ওয়াশিংটন।

সংবাদমাধ্যম বলছে, ইরানি নিরাপত্তা ও নৈতিক পুলিশের সাতজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নারী, নাগরিক সমাজ এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের অধিকার লংঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মূলত ইরানের নৈতিক পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ রোস্তামি চেশমেহ গাচি এবং তেহরানে এই বাহিনীর পরিচালক হাজ আহমেদ মিরজেইকে লক্ষ্য করে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ২২ বছর বয়সী ইরানি তরুণী মাশা আমিনির মৃত্যুর প্রতিবাদের পর মিরজেইকে অবশ্য সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

২২ বছর বয়সী আমিনিকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার আগে তিন রাত ধরে তিনি তেহরানের একটি নৈতিক আটক কেন্দ্রে বন্দি ছিলেন এবং মাথায় হিজাব না পরার জন্য তার ওপর নিপীড়ন চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আরও যেসব ইরানি রয়েছেন তারা হচ্ছেন- ইরানের গোয়েন্দা বিভাগের মন্ত্রী ঈসমাইল খতিব, বাসিজ বাহিনীর উপ-অধিনায়ক সালার আবনুশ, আইন প্রয়োগ বাহিনীর উপ-অধিনায়ক কাসেম রেজাই, ওই বাহিনীর প্রাদেশিক বাহিনী মানুশের আমানুল্লাহি এবং ইরানি সেনার স্থলবাহিনীর কমান্ডার কিউমার্স হেইদারি।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই কর্মকর্তারা এমন সব সংগঠনের তদরকি করে যারা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের এবং ইরানের সুশীল সমাজের সদস্যদের, রাজনৈতিক ভিন্ন মতাবলম্বীদের এবং ইরানের বাহা’ই সম্প্রদায়ের লোকজনকে দমন করতে নিয়মিত সহিংসতা চালিয়ে থাকে।’

এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে এই সকল ইরানি কর্মকর্তাদের সকল ধন-সম্পদ আটক করা হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও বিদেশে তাদের সঙ্গে আর্থিক লেনেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।