NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত ভারতীয় শরণার্থীর অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় আবেদন খারিজ


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৪ এএম

খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত ভারতীয় শরণার্থীর অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় আবেদন খারিজ

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় (অ্যাসাইলাম) পাওয়ার আবেদন খারিজ হয়েছে হিন্দুধর্ম থেকে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত এক ভারতীয় যুবকের। দেশটির ইমিগ্রেশন অ্যান্ড প্রোটেকশন ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছে, ভারতে ফেরত পাঠানো হলে তার ওপর বাস্তব কোনো নির্যাতন বা ক্ষতির ঝুঁকি নেই। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার

গত মাসে দেওয়া ওই সিদ্ধান্তে ট্রাইব্যুনাল আবেদনকারীর আশঙ্কাকে “স্পষ্টভাবে ভিত্তিহীন” বলে উল্লেখ করে।

 

রায়ে বলা হয়, উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ কোনোভাবেই শরণার্থী সুরক্ষার ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করে না।

ট্রাইব্যুনালের ভাষায়, “উপস্থাপিত প্রমাণে এমন কোনো ঝুঁকি প্রতিষ্ঠিত হয়নি, যা কেবল অনুমান বা অত্যন্ত দূরবর্তী সম্ভাবনার চেয়ে বেশি।”

২৩ বছর বয়সী ওই যুবক ভারতের উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা। তিনি ২০২৩ সালের অক্টোবরে ভিজিটর ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করেন এবং পরে একটি গির্জায় যাতায়াত শুরু করেন।

২০২৪ সালের জুনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং একই সময়ে আশ্রয় আবেদন করেন।

 

আবেদনে তিনি দাবি করেন, ধর্মান্তরের কারণে পরিবারের সদস্যরা অসন্তুষ্ট ছিলেন এবং এক চাচার হামলা ও ২০২৫ সালের মার্চে পরিবারের বাড়িতে আক্রমণের ঘটনাও ঘটে। তবে ট্রাইব্যুনাল তার বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি ও তথ্যগত ঘাটতির কথা উল্লেখ করে।

রায়ে আরও বলা হয়, তিনি ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কোনো ধরনের সুরক্ষা চেয়ে অভিযোগ করেননি বা আদালতের সহায়তাও নেননি—যা তার দাবিকে দুর্বল করে।

 

ট্রাইব্যুনাল স্বীকার করে যে কিছু সহিংস ঘটনার অভিজ্ঞতা থাকতে পারে, তবে তা শরণার্থী আইনের আওতায় “নির্যাতন” হিসেবে বিবেচিত হওয়ার মতো পর্যায়ে পৌঁছায় না।

এছাড়া রায়ে বলা হয়, ভারতে ফিরে তিনি দেশের বড় শহরগুলো—যেমন দিল্লি বা মুম্বাইয়ে—নিরাপদে বসবাস করতে পারেন, যেখানে তার ওপর কোনো তাৎক্ষণিক ঝুঁকি থাকার সম্ভাবনা নেই।

ট্রাইব্যুনাল আরও জানায়, তিনি শরণার্থী বা আন্তর্জাতিক সুরক্ষা প্রাপ্ত ব্যক্তির মানদণ্ড পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে তার আপিল খারিজ করা হয় এবং তাকে শরণার্থী মর্যাদা দেওয়া হয়নি।