NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

হরমুজ খুলতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ট্রাম্পের, জবাবে কী করবে ইরান?


খবর   প্রকাশিত:  ২২ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

হরমুজ খুলতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ট্রাম্পের, জবাবে কী করবে ইরান?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা আরো তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সম্ভাব্য পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক মহলে এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

মার্কিন আলটিমেটামের বিষয়ে ইরান বলছে, তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্কিত জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার মাধ্যমে জবাব দিতে পারে।

একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে যেসব জাহাজ শত্রুপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, তারা ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করলে নিরাপদে চলাচল করতে পারবে বলেও জানায় তেহরান।

 

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা ইরানের অন্যতম বড় কৌশলগত হাতিয়ার। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের একটি বড় অংশের জ্বালানি রপ্তানি হয়। ফলে কার্যত এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া মানে যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ চাপ প্রয়োগের মাধ্যম হারানো।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি বাস্তবায়ন করেন, তাহলে তা দেশটির জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

 

তবে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে তারা বলছে, ইরান সরকার তাদের অর্থনীতি ও জনগণের ওপর বড় ধরনের ক্ষতি ও দুর্ভোগ সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় ধরে তা সহ্য করতে প্রস্তুত। কারণ কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা সত্ত্বেও ইরান দীর্ঘ সময় ধরে চাপ সহ্য করে এসেছে। চলতি বছরের শুরুতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেয় ইরান সরকার। যেখানে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি বিক্ষোভসংক্রান্ত মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরও করা হয়েছে।

 

বিশ্লেষকদের ধারণা, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়ার হুমকিকে ‘ট্রাম্পের ধাপ্পাবাজি বা প্রতারণা’ হিসেবে বিবেচনা করছেন ইরানের নেতারা। একই সঙ্গে তারা আশা করেন যে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি হলে এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সংযত থাকার আহ্বান জানাবে।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, সমাধান খুঁজতে বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বিশেষ করে ওমানের কূটনৈতিক উদ্যোগে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

 

চলমান এই যুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাদের অর্থনীতি মূলত জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল, পাশাপাশি পর্যটন ও নিরাপত্তার ভাবমূর্তিও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই সংকটে তাদের অবস্থান ভবিষ্যতের যুদ্ধের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।