NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনে ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় আইসিসি


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ এএম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনে ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় আইসিসি

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না পাকিস্তান— এমন খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। পরিস্থিতি সামাল দিতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বৈশ্বিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে আইসিসি ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় (অনানুষ্ঠানিকভাবে চলা আলোচনা বা যোগাযোগ) যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আলোচনার নেতৃত্ব দিতে নাকি আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ইমরান খাজা শিগগিরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)-এর সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বলে জানা গেছে। আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো, পিসিবিকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনায় রাজি করানো এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বহুল আলোচিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি আয়োজন নিশ্চিত করা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতীয় মিডিয়ায় ইমরান খাজার ভূমিকাকে ‘শান্তিদূত’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয় যে, জাতীয় দল নির্ধারিত বিশ্বকাপ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না।

এই ঘোষণার পর থেকেই বিশ্বকাপের সূচি ও বাণিজ্যিক দিক নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।

 

তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, এখনো পর্যন্ত পিসিবি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে আইসিসিকে তাদের সিদ্ধান্ত জানায়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান তাদের অবস্থান বদলাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।