NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প বাবার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই : পূজা চেরী ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের
Logo
logo

রাশিয়া ও ইউক্রেন পরমাণু কেন্দ্র মেরামতের জন্য স্থানীয় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

রাশিয়া ও ইউক্রেন পরমাণু কেন্দ্র মেরামতের জন্য স্থানীয় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত

রাশিয়া ও ইউক্রেন জাপোরিঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শেষ অবশিষ্ট ব্যাকআপ বিদ্যুৎ লাইন মেরামতের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।

জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, গত ২ জানুয়ারির সামরিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ লাইনের মেরামতকাজ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হওয়ার কথা। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, আইএইএ মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি বলেছেন, এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিতে সংস্থাটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারই প্রমাণ।

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে চার দফা আলোচনা হয়েছে।

 

ভিয়েনা–ভিত্তিক আইএইএ আরো জানায়, ঘটনাস্থলে থাকা তাদের পর্যবেক্ষক দল সেখানে বিপুল সংখ্যক বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিস্ফোরণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকাতেও শোনা গেছে। সংস্থাটি জানায়, গত সপ্তাহে তাদের দল প্রতিদিন একাধিকবার বিমান হামলার সতর্কতা জারি করেছে।

এ ছাড়া কেন্দ্র থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে একটি সামরিক উড়ন্ত বস্তু দেখা গেছে বলেও তাদের জানানো হয়েছে।

 

জাপোরিঝিয়া ইউরোপের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি ডিনিপার নদীর তীরে অবস্থিত এবং ২০২২ সালের মার্চ মাস থেকে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দখলের পর কেন্দ্রটির ছয়টি চুল্লিই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মস্কো ও কিয়েভ একে অপরের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ করে আসছে, তারা এই পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়ে সম্ভাব্য পারমাণবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করছে।