NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প বাবার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই : পূজা চেরী ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের
Logo
logo

চীনের সঙ্গে কার্যক্রম আলাদা করার পরিকল্পনা ব্রিটিশ প্রযুক্তি কম্পানির


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:১২ পিএম

চীনের সঙ্গে কার্যক্রম আলাদা করার পরিকল্পনা ব্রিটিশ প্রযুক্তি কম্পানির

ব্রিটেনের অন্যতম বৃহৎ মাইক্রোচিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইমাজিনেশন টেকনোলজিস চীনের সঙ্গে কার্যক্রম আলাদা করার বিষয়টি বিবেচনা করেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি সামরিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অভিযুক্ত কিছু কম্পানির কাছে প্রযুক্তি সরবরাহ করেছিল।

দ্য টেলিগ্রাফের তথ্যমতে, চীনা মালিকানাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্কের পর প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের ব্যবসা ভেঙে আলাদা করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে। চলতি বছরের শুরুতে শীর্ষ নির্বাহীদের মধ্যে আলোচিত এক প্রস্তাবে ইমাজিনেশনকে তিনটি পৃথক ব্যবসায় ভাগ করার কথা বলা হয়।

এর মধ্যে সাংহাইভিত্তিক কার্যক্রম স্থানীয় ব্যবস্থাপনার হাতে তুলে দেওয়ার সম্ভাবনাও ছিল।

 

প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যভিত্তিক মূল ব্যবসা চালু থাকত এবং এর লাভজনক পেটেন্ট পোর্টফোলিওকে চিপ-লাইসেন্সিং কার্যক্রম থেকে আলাদা করা হতো।

প্রাইভেট ইকুইটি মালিকদের পক্ষ থেকে কোম্পানিটি বিক্রির সম্ভাবনা যাচাই করার সময়ই এই বিভাজনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। যদিও ইমাজিনেশন আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিভাজনভিত্তিক বিক্রির পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে, তবে গত কয়েক বছরে একাধিকবার ক্রেতা খোঁজার পর ভবিষ্যতে আবারও এই প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।

 

উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইমাজিনেশন লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ছিল। ওই বছর এটি ক্যানিয়ন ব্রিজ নামের একটি প্রাইভেট ইকুইটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি হয়, যার সবচেয়ে বড় অর্থায়নকারী চীনা রাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

বর্তমান মালিকানার অধীনে প্রতিষ্ঠানটি একাধিক অভিযোগের মুখে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—কম্পানির কার্যক্রম চীনে স্থানান্তরের পরিকল্পনা এবং এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রযুক্তি বিক্রির অভিযোগ, যেগুলো পরবর্তীতে কালো তালিকাভুক্ত হয়েছে।