NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

১৯ দেশের গ্রিন কার্ডধারীদের নতুন করে খতিয়ে দেখবে ট্রাম্প প্রশাসন


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

১৯ দেশের গ্রিন কার্ডধারীদের নতুন করে খতিয়ে দেখবে ট্রাম্প প্রশাসন

ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ১৯টি দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের দেওয়া সব গ্রিন কার্ড নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। মার্কিন সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের প্রধান জোসেফ এডলো বলেছেন, প্রেসিডেন্ট তাকে নির্দেশ দিয়েছেন ‘ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো থেকে আসা প্রতিটি অভিবাসীর গ্রিন কার্ড কঠোরভাবে, বড় পরিসরে এবং গভীরভাবে পুনর্বিবেচনা’ করতে।

বিবিসি যখন জানতে চায় কোন কোন দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ড এই তালিকায় রয়েছে, তখন সংস্থাটি হোয়াইট হাউসের জুন মাসের এক ঘোষণার দিকে ইঙ্গিত করে। সেই ঘোষণায় আফগানিস্তান, কিউবা, হাইতি, ইরান, সোমালিয়া এবং ভেনেজুয়েলার নাম ছিল।

গত বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে এক আফগান নাগরিকের গুলিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্য গুরুতর আহত হন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই হামলা গুরুতর জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যার দিকেই ইঙ্গিত করে। 

সেই ঘটনার পরই এই ঘোষণা দিয়েছেন এডলো। তবে জোসেফ এডলোর বৃহস্পতিবারের সামাজিকমাধ্যম পোস্টে সরাসরি এই হামলার প্রসঙ্গ তোলা হয়নি। 

সন্দেহভাজন রহমানুল্লাহ লাকানওয়াল ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। সে সময় আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর বিশেষ অভিবাসন নিরাপত্তা কর্মসূচির অধীনে অনেক আফগানকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

গ্রিন কার্ড কীভাবে পুনর্বিবেচনা করা হবে সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। হোয়াইট হাউসের জুনের ঘোষণায় বলা হয়, ‘বিদেশি সন্ত্রাসী এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার ঝুঁকির’ কারণে কিছু দেশের নাগরিকদের প্রবেশ সীমিত করা প্রয়োজন। তালিকায় থাকা দেশগুলোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং ব্যবসা, ছাত্র ও ভ্রমণ ভিসার অতিরিক্ত থাকার হারকেই প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

যেসব দেশের গ্রিন কার্ডধারীরা এই কঠোর যাচাইয়ের মুখে পড়বেন, তাদের তালিকায় আরও রয়েছে মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র এবং লিবিয়া।

এর আগে গত সপ্তাহে একই সংস্থা, ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময় অনুমোদন পাওয়া সব শরণার্থী নিয়ে একটি পর্যালোচনা শুরুর ঘোষণা দেয়।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্র আফগান নাগরিকদের সব অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। সংস্থাটি জানায়, ‘নিরাপত্তা ও ভেটিং প্রটোকল’ নতুন করে পর্যালোচনার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।