NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পরিবারের সদস্য গ্রেফতার


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পরিবারের সদস্য গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিটের ভাতিজার মা ব্রুনা ক্যারোলিন ফেরেইরাকে গ্রেফতার করেছে। এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ম্যাসাচুসেটস থেকে তাকে এই মাসের শুরুর দিকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি লুইজিয়ানার একটি ডিটেনশন সেন্টারে রয়েছেন।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানায়, ফেরেইরা বি-টু পর্যটক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন এবং তা ১৯৯৯ সালের জুনে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও দেশে অবস্থান করেন। তাকে ‘ব্যাটারি’ সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সংস্থাটি তাকে ‘অপরাধী অবৈধ ব্রাজিলিয়ান অভিবাসী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

তবে ফেরেইরার ছেলে জন্মের পর থেকেই তার বাবা মাইকেল লেভিটের কাছে বড় হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার একমাত্র উদ্বেগ আমার সন্তানের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা।’ 

 

 

ফেরেইরার আইনজীবী টড পোমারল্যু দাবি করেন, তিনি ডিএসিএ কর্মসূচির আওতায় বৈধভাবে অবস্থান করছিলেন এবং গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই ছিলেন। তিনি বলেন, ‘থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের ঠিক আগে হঠাৎ করেই তাকে সন্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করে গ্রেফতার করা হয়। ব্রুনার কোনো অপরাধের রেকর্ড নেই—এ অভিযোগের প্রমাণ আমরা চাই।’

 

 

 

 

ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অবৈধ অভিবাসন দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ডিএইচএস এক বিবৃতিতে জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানকারী সবাইকেই নির্বাসনের আওতায় আনা হবে।’