NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠায় দিলেন বড় অনুদান কমিউনিটির স্বপ্ন-পূরণের সারথি শাহনেওয়াজ


খবর   প্রকাশিত:  ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠায় দিলেন বড় অনুদান কমিউনিটির স্বপ্ন-পূরণের সারথি শাহনেওয়াজ

 হাকিকুল ইসলাম খোকন, 
নিউইয়র্কের বুকে বাংলাদেশিদের নিজস্ব কমিউনিটি সেন্টার এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়। কুইন্সের জ্যামাইকায় ‘বাংলাদেশ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। ১ নভেম্বর শনিবার চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে ভবন ক্লোজিং হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ সোসাইটির কর্মকর্তারা। খবর আইবিএননিউজ ।বাংলাদেশিদের এই স্বপ্নপূরণে এগিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহনেওয়াজ। তিনি বাংলাদেশ সেন্টার কেনার জন্য ২ লাখ ডলার অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রাথমিক অর্থ হিসাবে ইতিমধ্যে তিনি ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার দিয়েছেন। ৭৫ হাজার ডলার নেওয়া হয়েছে সোসাইটির ফান্ড থেকে। 
দেরীতে হলেও প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পর বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান কার্যকরী কমিটির উদ্যোগে নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত কুইন্সের জ্যামাইকায় ব্যস্ত লোকেশনে বিশাল ভবন কেনার প্রাথমিক ধাপ হিসাবে ভবন মালিকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শাহনেওয়াজ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর ভবন কেনার প্রক্রিয়া সহজ হয়ে যায়। বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর  রহমান সেলিম বাপসনিঊজকে জানান, ভবনটির মূল্য ধরা হয়েছে ৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার। প্রতিমাসে মর্গেজ পরিশোধের কথা মাথায় রেখে আপাতত বাণিজ্যিকভিত্তিতে ভবনটি পরিচালিত হবে। তবে বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় স্পেস থাকবে। সভাপতি বলেন, আমরা চেষ্টা করবো ৩-৪ বছরের মধ্যে ভবনের সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করার। এরপর সেখানে বড় আকারে কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হবে, যেখানে প্রায় এক হাজার লোকের অনুষ্ঠান করা যাবে। এছাড়াও থাকবে বাংলা স্কুল, জিমসহ বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান কার্যালয়। বাংলাদেশ সেন্টারের মর্গেজ পরিশোধে বর্তমানে এলমহার্স্টের হুইটনি অ্যাভিনিউর নিজস্ব ভবন বিক্রি করা হবে কীনা সে ব্যাপারে জানতে চাইলে আতাউর রহমান সেলিম বলেন, এ ব্যাপারে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। ট্রাস্টি বোর্ড, কার্যকরী কমিটি এবং সাবেক কর্মকতাদের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে ভবিষ্যতে ফান্ডরেইজিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা হবে। 
বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ জানান, বাংলাদেশ সেন্টার প্রতিষ্ঠা একটি বড় প্রকল্প। এই প্রকল্প সফল করতে তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটির সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশি কমিউনিটির পাশে আছি। সবসময় থাকবো। বাংলাদেশ সেন্টার নিউইয়র্কের বুকে একখণ্ড বাংলাদেশ হবে ।