NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডকে পেছনে ফেলত বাংলাদেশ : অহনা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:১১ পিএম

সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডকে পেছনে ফেলত বাংলাদেশ : অহনা

বাংলাদেশে সালমান শাহ থাকলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী অহনা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

সালমান শাহ ইস্যু সম্প্রতি আলোচনার পর থেকে অনেকেই দেশের এই ক্ষণজন্মা অভিনেতাকে স্মরণ করছেন। এবার সালমান শাহকে নিয়ে কথা বললেন অভিনেত্রী অহনা।

তিনি মনে করেন সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি আমূল বদলে যেত।

 

সালমান শাহকে এখনো নকল করা হয় জানিয়ে অহনা বলেন, ‘সালমান শাহ যদি থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত। কারণ একটা ছবি সব সময় সামনে আসে, শাহরুখ খান, গৌরী খান,  সালমান শাহ ও তার ওয়াইফ। ওই ছবিটা দেখেই বোঝা যায় সালমান শাহ কী ছিলেন সে সময়।

আর তার স্টাইল এখনো নকল করে অনেকে। তার মতো নায়ক বললেই হয়ে যায় না। এত সহজ নয়।’ 

 

 


অহনা মনে করেন সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডের সঙ্গে এ দেশের ইন্ডাস্ট্রির মেলবন্ধন থাকত।

তিনি বলেন, ‘চিন্তা করেন তো সালমান শাহ-শাহরুখ একসঙ্গে মুভি করলে কী হতো? বাংলাদেশের আর্টিস্টরা গিয়ে বলিউডে অভিনয় করতেন, বলিউডের আর্টিস্টরা এসে ঢালিউডে সিনেমা করতেন। তাই হতো, কিন্তু তা তো হচ্ছে না, হবে না।’

 

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর একে একে থানা-পুলিশ, সিআইডি, র‍্যাব, পিবিআইসহ একাধিক সংস্থা তদন্ত চালায়। সব প্রতিবেদনেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও সালমানের পরিবারের আপত্তিতে প্রতিবারই তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়।