NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য দাবিতে ভিডিও ছড়িয়ে গুজব সৃষ্টির অপচেষ্টা


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:১০ এএম

প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্য দাবিতে ভিডিও ছড়িয়ে গুজব সৃষ্টির অপচেষ্টা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মন্তব্য দাবি করে টিকটকে ভিডিও ছড়িয়ে গুজব ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম ‘বাংলাফ্যাক্ট’।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় নির্বাচন দুমাস পিছিয়ে এপ্রিলে হবে-প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেছেন দাবি করে টিকটকে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।

তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, প্রধান উপদেষ্টা সম্প্রতি এমন কোন মন্তব্য করেননি। গত ৬ জুন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধের যেকোন একটি দিনে জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা করেন তিনি। 

পরবর্তীতে ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন ড. ইউনূস। ৬ জুনের প্রধান উপদেষ্টার আগের ঘোষণার ভিডিও সম্প্রতি নির্বাচন পেছানোর দাবি করে ছড়ানো হয়েছে।

গত বছর থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম এবং ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পাশাপাশি দেশেও বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশকে জড়িয়ে, অন্তর্বর্তী সরকার, সাম্প্রতিক খাগড়াছড়ি ইস্যু, এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনের বিরুদ্ধে গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রচারের হার বেড়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাফ্যাক্ট’। 

বাংলাদেশে চলমান গুজব, ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।