NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ | ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’ বিজেপি ছাড়তেই অভিনেত্রীকে ধর্ষণের হুমকি আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প
Logo
logo

‘হাওয়া’র মামলা সমঝোতার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির উদ্যোগ


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৫:২১ এএম

>
‘হাওয়া’র মামলা সমঝোতার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির উদ্যোগ

‘হাওয়া’ সিনেমা নিয়ে পরিচালকের বিরুদ্ধে বন বিভাগের দায়ের করা মামলা সমঝোতার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোববার (২৮ আগস্ট) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার দীপংকর বর এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অবগত না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে ‘হাওয়া’ সিনেমার পরিচালকের কাছ থেকে আপস নিষ্পত্তি করার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট থেকে দায়ের করা মামলাটি সমঝোতার ভিত্তিতে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ধারা ৪৩ মোতাবেক মামলাটি আপসযোগ্য হওয়ায় ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা মোতাবেক আজ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে। আদালত মামলা প্রত্যাহারের আবেদনের বিষয়টি গ্রহণপূর্বক শুনেছেন এবং পরবর্তী তারিখে রায় ঘোষণার জন্য ধার্য করেছেন।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত চলচ্চিত্র ‘হাওয়া’র পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের নামে ১৭ আগস্ট মামলা করে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করা হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন-২০১২ এর ধারা ৩৮ (১-২), ৪১ ও ৪৬ লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা করে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। মামলার বাদী বন্যপ্রাণী পরিদর্শক নারগিস সুলতানা। সাক্ষী করা হয় তদন্ত কমিটিতে কাজ করা অপর তিন সদস্য আব্দুল্লাহ আস সাদিক, অসীম মল্লিক ও রথিন্দ্র কুমার বিশ্বাসকে।