NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ | ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’ বিজেপি ছাড়তেই অভিনেত্রীকে ধর্ষণের হুমকি আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প
Logo
logo

মোদীর সঙ্গে একই গাড়িতে চড়তে চেয়েছেন পুতিন


খবর   প্রকাশিত:  ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:০৯ পিএম

মোদীর সঙ্গে একই গাড়িতে চড়তে চেয়েছেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একই গাড়িতে করে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্থানে যান।

মোদী তার এক্স (আগের টুইটার) অ্যাকাউন্টে রুশ নেতার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের কার্যক্রম শেষে প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং আমি আমাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্থানে একসঙ্গে ভ্রমণ করেছি। তার সঙ্গে কথোপকথন সবসময়ই গভীর অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন হয়।

 

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন এসসিও সম্মেলন স্থল থেকে রিটজ-কার্লটন হোটেলে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে ভ্রমণ করতে চেয়েছিলেন। তিনি প্রায় ১০ মিনিট মোদীর জন্য অপেক্ষা করেছিলেন যাতে এক সঙ্গে যেতে পারেন।

সূত্রগুলো জানায়, এরপর দুই নেতা পুতিনের গাড়িতে করে একসঙ্গে যাত্রা করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। তারা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের স্থানে পৌঁছানোর পরেও গাড়িতে আরও ৪৫ মিনিট সময় কাটান। এর পরে দুই নেতার মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়।

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ভারত ও রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভারত রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম তেল ক্রেতা হয়ে ওঠে। এসময় পশ্চিমা দেশগুলো মস্কো থেকে জ্বালানি আমদানি বন্ধ করে দেয় এবং রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের বাণিজ্যের ওপর মূল্যসীমা আরোপ করে।

ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক আর্থিক জটিলতার মধ্যে দুই দেশ মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে রুপি-রুবল বাণিজ্য প্রক্রিয়াকে সহজ করার জন্য চেষ্টা করছে।