NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা পোড়ালে কারাদণ্ড-ভিসা বাতিল: ট্রাম্পের আদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০৮ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা পোড়ালে কারাদণ্ড-ভিসা বাতিল: ট্রাম্পের আদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন এক নির্বাহী আদেশে ঘোষণা দিয়েছেন, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা পোড়ালে শাস্তি হবে এক বছরের কারাদণ্ড। শুধু তাই নয়, বিদেশি নাগরিকরা এমন কাজে জড়িত হলে তাদের ভিসা বাতিল, এমনকি বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে।

সোমবার (২৫ আগস্ট) সই করা এই নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, পতাকা পোড়ানো ‘উসকানি’ বা ‘লড়াইয়ের হুমকি’ দেওয়ার সমান ও এটি দাঙ্গা উসকে দেওয়ার মতো কাজ। যদিও ১৯৮৯ সালে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছিল, পতাকা পোড়ানো সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর অধীনে ‘সুরক্ষিত মতপ্রকাশের অধিকার’।

 

আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্প বলেন, যদি কেউ পতাকা পোড়ায়, তাকে এক বছরের জেল খাটতে হবে। আগাম মুক্তি নেই, কোনো ছাড় নেই। এটি তার রেকর্ডে থাকবে। আর তখনই পতাকা পোড়ানো বন্ধ হয়ে যাবে।

ট্রাম্পের নির্দেশে অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে বলা হয়েছে পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নিতে। আদেশে দাবি করা হয়েছে, বিদেশি নাগরিকরা মার্কিন পতাকা পোড়ানোর মাধ্যমে দেশটির মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে ও হুমকি দিচ্ছে। এজন্য ভিসা বাতিল ও বহিষ্কারসহ কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

 

তবে আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের দাবি প্রমাণহীন। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক জি এস হ্যান্স বলেছেন, পতাকা পোড়ানো কোনো বড় সমস্যা নয়। আর ট্রাম্পের এই নির্বাহী আদেশ এটি মূলত সমস্যাহীন জায়গায় সমাধান খোঁজার চেষ্টা।

এদিকে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করা সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপকে সংবিধানবিরোধী বলছে। এক বিবৃতিতে এফআইআর বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হয়তো মনে করেন, তিনি তার কলমের এক আঁচড়ে সংবিধানের প্রথম সংশোধনী পাল্টে দিতে পারেন; কিন্তু তা সম্ভব নয়। সরকার সুরক্ষিত মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না, এমকি, তা যদি অপমানজনক বা উসকানিমূলকও হয়।