NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬ | ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নতুন নিয়ম ব্রিটেনে বাংলাদেশিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ হয়েছে : সারাহ কুক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের অডিও ফাঁস হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশ রাজদম্পতি, চলছে জমকালো আয়োজন ১৫ বছরেই আইপিএলে রেকর্ডের পাহাড় গড়ছেন সূর্যবংশী ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ চ্যাম্পিয়ন হলেন বাংলাদেশের তমা নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’
Logo
logo

৮১ আফগান নাগরিককে প্রত্যাবাসন করলো জার্মানি


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

৮১ আফগান নাগরিককে প্রত্যাবাসন করলো জার্মানি

৮১ জন আফগান নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে জার্মানি। ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এটি দ্বিতীয়বারের মতো প্রত্যাবাসন এবং নতুন চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ-এর অধীনে প্রথমবারের মতো এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। মার্জ তার সরকারের কঠোর অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

ফেরত পাঠানো সব আফগান নাগরিকের আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল এবং তারা জার্মান বিচার বিভাগের নজরে এসেছিলেন। কাতারের সহায়তায় এবং কয়েক সপ্তাহের কূটনৈতিক আলোচনার পর এই প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়।

 

চ্যান্সেলর মার্জ নিশ্চিত করেন যে আফগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, তবে এর বিস্তারিত জানাতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

এর আগে সাবেক চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস-এর সরকার ১০ মাস আগে আফগানিস্তানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করেছিল। শলৎস তখন আশ্রয়প্রার্থীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর অঙ্গীকার করেছিলেন।

 

যদিও জার্মানি তালেবান-শাসিত আফগান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি, তবুও দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেনি।

জার্মানির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় ইঙ্গিত দিয়েছে যে ভবিষ্যতেও আরও আফগান নাগরিককে ফেরত পাঠানো হবে, যদিও নির্দিষ্ট সময়সূচি জানানো হয়নি।

চ্যান্সেলর মার্জের অধীনে সরকার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো, আগের সরকারের শুরু করা সীমান্ত তল্লাশি সম্প্রসারণ ও কিছু শ্রেণির আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। পরিবার পুনর্মিলন কর্মসূচিও অনেক ক্ষেত্রেই স্থগিত রাখা হয়েছে।