NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ১৩৫৩ কর্মকর্তা ছাঁটাই


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জুলাই, ২০২৫, ১০:০৭ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ১৩৫৩ কর্মকর্তা ছাঁটাই

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বড় ধরনের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১১ জুলাই) ১ হাজার ৩৫৩ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। দপ্তরের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

সংস্থাটির হাতে আসা একটি অভ্যন্তরীণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের মধ্যে ১ হাজার ১০৭ জন সিভিল সার্ভিস এবং ২৪৬ জন ফরেন সার্ভিস কর্মকর্তা। পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের শত শত ইউনিট ও ব্যুরোও বিলুপ্ত বা পুনর্গঠিত হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই পরিবর্তনের ফলে প্রায় ৩ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছাড়ছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্বেচ্ছায় অবসরে যাচ্ছেন, বাকিরা চাকরিচ্যুত হচ্ছেন।

২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্র দপ্তরের পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী দপ্তরের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ঢেলে সাজানো হচ্ছে, যাতে কূটনৈতিক অগ্রাধিকার ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে আরও মনোযোগী হওয়া যায়।

ফরেন সার্ভিসের যেসব কর্মকর্তাকে এই ছাঁটাই তালিকায় রাখা হয়েছে, তাদের ১২০ দিনের জন্য প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে। এর পরই তাদের চাকরি চূড়ান্তভাবে শেষ হবে। অন্যদিকে সিভিল সার্ভিসের বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে ৬০ দিনের ছুটিতে রেখে পরবর্তী সময়ে ছাঁটাই কার্যকর করা হবে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কাঠামোতে এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় পরিবর্তন। এর মাধ্যমে বিদেশ নীতিতে প্রাধান্য দেওয়া ক্ষেত্রগুলোয় নতুন করে নজর দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প  প্রশাসন।