NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

মার্কিন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা বললো ইরান


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৫, ১০:০৬ এএম

মার্কিন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা বললো ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নতুন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করেছে ইরান। সম্প্রতি ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার ১১টি দেশের নাগরিকদের ওপর ব্যাপক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তেহরান মার্কিন এই সিদ্ধান্তকে বর্ণবাদী মানসিকতার প্রতিফলন হিসেবে বর্ণনা করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন, যা তার প্রথম মেয়াদের বিতর্কিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞারই পুনরাবৃত্তি। এই নিষেধাজ্ঞা জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে জারি করা হয়েছে।

 

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রবাসীবিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক আলিরেজা হাশেমি-রাজা বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটি শ্রেষ্ঠতাবাদী ও বর্ণবাদী মানসিকতা প্রচলিত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্ত ইরানি ও মুসলিম জনগণের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের গভীর শত্রুতার প্রতিচ্ছবি।

 

ইরান ছাড়াও যেসব দেশের নাগরিকদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে সেগুলো হলো আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো-ব্রাজাভিল, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং ইয়েমেন। এছাড়া আরও সাতটি দেশের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

হাশেমি-রাজা বলেন, এই নীতিটি আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিমালা লঙ্ঘন করে এবং কেবল জাতি বা ধর্মের ভিত্তিতে শত শত মিলিয়ন মানুষকে ভ্রমণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হয় এবং তখন থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক চরমভাবে উত্তেজনাপূর্ণ।