NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীকে সহায়তা করায় বিচারক গ্রেপ্তার


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:০৪ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীকে সহায়তা করায় বিচারক গ্রেপ্তার


যুক্তরাষ্ট্রের মিলওয়াকি কাউন্টি সার্কিট কোর্টের বিচারক হান্না ডুগানকে শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) গ্রেপ্তার করেছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার থেকে বাঁচাতে সহায়তা করায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এফবিআইয়ের মতে, বিচারক ডুগান আদালত প্রাঙ্গণে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে অভিযুক্ত এদুয়ার্দো ফ্লোরেস-রুইজকে পালাতে সহায়তা করেন।

কাশ প্যাটেল এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বিচারক ডুগান ইচ্ছাকৃতভাবে এজেন্টদের ভুল পথে পরিচালিত করেন, যাতে অবৈধ অভিবাসী এদুয়ার্দো ফ্লোরেস-রুইজ পালাতে পারেন। আমাদের এজেন্টরা পরে তাকে ধাওয়া করে ধরে ফেললেও বিচারকের এই বাধাদান জনসাধারণের জন্য ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।’

এ বিষয়ে একজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ডুগানের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে—একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এড়াতে সাহায্য করা এবং ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কাজে বাধা দেওয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের মার্শাল সার্ভিসের মুখপাত্র ব্র্যাডি ম্যাক্যারন জানিয়েছেন, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় বিচারক ডুগানকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ফেডারেল মার্শালদের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে বিচারকদের আচরণ ও ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগে সহযোগিতা না করা নিয়ে কড়াকড়ি নজরদারির অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।