NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ২২ শতাংশ এগিয়ে ট্রাস


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:০৬ পিএম

>
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ২২ শতাংশ এগিয়ে ট্রাস

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে মাঠে রয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস। কনজারভেটিভ পার্টির এই দুই শীর্ষনেতার মধ্যে ২২ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন লিজ ট্রাস। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর জানা যাবে বরিস জনসনের উত্তরসূরি হিসেবে কে ১০, ডাউনিং স্ট্রিটে পা রাখবেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

শনিবার (১৩ আগস্ট) অপিনিয়াম রিসার্চের কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যদের জরিপে দেখা গেছে যে, ঋষি সুনাকের চেয়ে ২২ শতাংশ বেশি পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এতে ৪৫০ জন পার্টির সদস্যের মধ্যে ৬১ শতাংশ সমর্থন করছেন লিজ ট্রাসকে। আর ৩৯ শতাংশের সমর্থন রয়েছে ঋষি সুনাকের ওপর। জরিপের ফলে সুনাকের তুলনায় ট্রাস ২২ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে আছেন।

ক্ষমতাসীন রক্ষণশীলদের প্রায় দুই লাখ সদস্য প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পরিবর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ভোট দিচ্ছেন। বরিস জনসন একাধিক কেলেঙ্কারি এবং সংসদীয় বিদ্রোহের পর গত জুলাই মাসে বলেছিলেন যে পার্টি চাইলে তিনি পদত্যাগ করবেন।

নেতৃত্বের ভোট পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একজন বিজয়ীর নাম সেপ্টেম্বরে ঘোষণা করা হবে ৫ সেপ্টেম্বর। এই মতামত জরিপ পরিচালনা করা হয় ৮ ও ১২ আগস্ট। জরিপে দেখা যায় যে ট্রাসকে সমর্থন করার শীর্ষ তিনটি কারণ রয়েছে।

যদিও সুনাকের পদত্যাগ জনসনের পতন ঘটাতে সাহায্য করেছিল। সুনাকের সমর্থকরা বলেছেন যে তিনি অর্থনীতিতে ভালো এবং দুই প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে যোগ্য বা বুদ্ধিমান।