NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, মে ১, ২০২৬ | ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সংসদ সচিবালয় কমিশনের বৈঠকে ২৯০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন আরএমটিপি প্রকল্পে ৭ লাখের বেশি পরিবারের জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন ইরান যেন পারমাণবিক শক্তিধর না হয়, রাজা চার্লসও তাতে একমত : ট্রাম্প ক্রিপ্টোকারেন্সি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুপ্ত’ খেলা চ্যাম্পিয়নস লিগ দ্বিতীয় লেগের আগে বিশাল ধাক্কা খেল পিএসজি দুই বছর পর মুক্তি পাচ্ছে বুবলীর কলকাতার সিনেমা সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নতুন নিয়ম ব্রিটেনে বাংলাদেশিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ হয়েছে : সারাহ কুক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের অডিও ফাঁস হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশ রাজদম্পতি, চলছে জমকালো আয়োজন
Logo
logo

ড. ইউনূস ও তার মেয়েকে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে ফের ভুয়া খবর


খবর   প্রকাশিত:  ২০ মার্চ, ২০২৫, ০৩:৪২ এএম

ড. ইউনূস ও তার মেয়েকে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে ফের ভুয়া খবর

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া ডট কম বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও তার মেয়ে মনিকা ইউনূস নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি মিথ্যা এবং প্রধান উপদেষ্টা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ভারতীয় প্রোপাগান্ডা ক্যাম্পেইনের অংশ বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংস ফ্যাক্টস। 

ইন্ডিয়া টুডের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে ভূমিকা রেখেছেন ড. ইউনূস। তিনি সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ফাউন্ডেশনে ৩ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছিলেন।

 

 

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, হিলারির সঙ্গে ইউনূসের এই বন্ধুত্বের ফলে বাইডেন প্রশাসনে চাকরি পেয়েছিলেন ড. ইউনূসের কন্যা মনিকা। এছাড়া, ক্লিনটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা অবস্থায় তার সঙ্গে সম্পর্কের সূত্র ধরে বড় অংকের ঋণ পেয়েছিলেন ড. ইউনূস। এসব কারণে ড. ইউনূসের ওপর তদন্ত করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন।   

তবে এসব তথ্যের কোনোটিই সঠিক নয় উল্লেখ করে সিএ প্রেস উইংস ফ্যাক্টস জানিয়েছে, প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ভারতীয় প্রোপাগান্ডার অংশ।

তিনি হিলারি ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে কোনো অর্থ দান করেননি। তার মেয়ে মনিকা ইউনূস বাইডেন প্রশাসনে চাকরি করেননি।  

 

প্রেস উইংস ফ্যাক্টস আরো জানিয়েছে, হিলারি ক্লিনটন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন অধ্যাপক ইউনূসের কোটি কোটি ডলার ঋণ নেওয়ার তথ্যটি মিথ্যা। এছাড়া পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণ চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্তেও ড. ইউনূস কোনো ভূমিকা রাখেননি।

 

এর আগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশ ছেড়ে প্যারিসে পাড়ি জমিয়েছেন বলে গুজব ছড়ায় ভারতীয় গণমাধ্যম রিপাবলিক বাংলা। তারও আগে প্রধান উপদেষ্টার শারীরিক অসুস্থ্যতা নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম।