NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, মে ১, ২০২৬ | ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সংসদ সচিবালয় কমিশনের বৈঠকে ২৯০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন আরএমটিপি প্রকল্পে ৭ লাখের বেশি পরিবারের জীবিকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন ইরান যেন পারমাণবিক শক্তিধর না হয়, রাজা চার্লসও তাতে একমত : ট্রাম্প ক্রিপ্টোকারেন্সি ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুপ্ত’ খেলা চ্যাম্পিয়নস লিগ দ্বিতীয় লেগের আগে বিশাল ধাক্কা খেল পিএসজি দুই বছর পর মুক্তি পাচ্ছে বুবলীর কলকাতার সিনেমা সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নতুন নিয়ম ব্রিটেনে বাংলাদেশিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ হয়েছে : সারাহ কুক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতের অডিও ফাঁস হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশ রাজদম্পতি, চলছে জমকালো আয়োজন
Logo
logo

জার্মানি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে সহায়তা করবে: ওলাফ শলৎজ


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৫:২০ এএম

জার্মানি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে সহায়তা করবে: ওলাফ শলৎজ

জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ বলেছেন, তার সরকার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রক্রিয়ায় সর্বাত্মক সহায়তা করবে।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠকের সাইডলাইনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি সম্পর্কে জার্মান চ্যান্সেলরকে অবহিত করার পর তিনি বলেন, আপনারা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, আমরা আপনাদের সহায়তা করব।

জার্মান চ্যান্সেলরকে প্রধান উপদেষ্টা জানান, তিনি একটি ঐকমত্য কমিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। যা ছয়টি কমিশনের জমা দেওয়া সংস্কার প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গঠনের কাজ করছে।

 

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার পর রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই চুক্তি স্বাক্ষর করবে। যা জুলাই-আগস্টে ছাত্রদের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের গণতান্ত্রিক চেতনা বজায় রাখবে।

দুই নেতা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট এবং মিয়ানমারের নিরাপত্তা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টা জার্মান চ্যান্সেলরকে জানান, কীভাবে বাংলাদেশের তরুণরা জুলাই অভ্যুত্থানে যোগ দিয়ে বছরের পর বছর ধরে চলা দুর্নীতি ও অপশাসনের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেছিল। এ সময় ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রের তার মাকে চিঠি লিখে বিদায় জানিয়ে অভ্যুত্থানে যোগ দিয়ে শহীদ হওয়ার ঘটনাও ওলাফ শলৎজকে জানান অধ্যাপক ইউনুস।

 

প্রধান উপদেষ্টা দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্কের উন্নয়নে জোর দিয়ে জার্মান ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধি দলকে ঢাকায় এসে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধানের আহ্বান জানান।

তিনি জার্মানির প্রতি আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা (বাংলাদেশ) আপনাদের কারখানা হতে পারি।

 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখনো সার্কের ধারণায় বিশ্বাস করে এবং এই প্ল্যাটফর্ম পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

এ সময় অধ্যাপক ইউনূস জার্মান চ্যান্সেলরকে ব্যাখ্যা করেন- কীভাবে নেপালের জলবিদ্যুৎ দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক দেশের জন্য উপকারী হতে পারে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উত্তরণের জন্য সহায়ক হতে পারে।

 

এছাড়া মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি নিরাপদ অঞ্চল তৈরিতে জার্মানির সহায়তাও চান তিনি।