NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

শেষ মুহূর্তে বিক্ষোভের মুখে বাইডেন, ‘যুদ্ধাপরাধী’ স্লোগান


খবর   প্রকাশিত:  ২০ এপ্রিল, ২০২৫, ০৬:১৯ পিএম

শেষ মুহূর্তে বিক্ষোভের মুখে বাইডেন, ‘যুদ্ধাপরাধী’ স্লোগান

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে ভাষণ দিতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ক্ষমতা হস্তান্তরের মাত্র এক সপ্তাহ আগে তাকে দেখে ‘যুদ্ধাপরাধী’ স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। রক্তের মতো তরল পদার্থ রাস্তায় ঢেলে তারা বলেন, হাজারো ফিলিস্তিনিকে হত্যার জন্য বাইডেন দায়ী। স্কাই নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই খবর জানা গেছে।

 

গাজা ইস্যুতে মার্কিন নীতির প্রতিবাদে ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ হয় স্থানীয় সময় সোমবার। এর মধ্যেই পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সর্বশেষ ভাষণ দিতে পররাষ্ট্র দপ্তরে যান বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তখন তাকে দেখে যুদ্ধাপরাধী বলে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজা পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

কোথাও নেই নিরাপদ জায়গা। এই পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ৪৬ হাজারেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক। এর দায় বাইডেনকে নিতে হবে। কারণ তার প্রশাসন অস্ত্র ও কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে ইসরায়েলকে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়েছে।

 


 

পরে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ভাষণ দেন বাইডেন। ভাষণে তিনি বলেন, আগামী ২০ জানুয়ারি হোয়াইট হাউস ছাড়ার আগেই গাজায় যুদ্ধবিরতির উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদায়ি প্রেসিডেন্টের দাবি, তার প্রশাসনের চার বছরে দুর্বল হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাশিয়া-ইরান। আর আগের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র অনেক শক্তিশালী হয়েছে।

 

সবশেষে বাইডেন তার প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের প্রচেষ্টায় বিশ্বে এই পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি খাতে ১০ হাজার কোটি ডলার অনুদান পৌঁছেছে। এই অনুদান গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে সাহায্য করছে।