NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবি, ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৮:০৭ এএম

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবি, ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পথে ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ফ্রান্সের বুলান শহরের কাছে নৌকাটি ডুবে যায়।

 

ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর বুলানের সরকারি কৌঁসুলি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃত সবাই আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ার নাগরিক। তবে উদ্ধারকারীরা তাদের নাগরিকত্ব সম্পর্কে এখনো পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাতে পারেনি।

ফরাসি কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন জানিয়েছেন, নৌডুবিতে যারা এখনো নিখোঁজ আছেন তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে। 

 

এদিকে নৌকাডুবিতে প্রাণহানির ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর ও অত্যন্ত দুঃখজনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেত্তে কুপার।আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবারের আগপর্যন্ত চলতি বছর নৌকার করে যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর চেষ্টার সময় ৩০ জন অভিবাসী মারা গেছেন। যা ২০২১ সালের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

ওই বছর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

 

ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে অবৈধ অভিবাসীরা যেন ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যে আসতে না পারেন সেজন্য সবসময় সচেষ্ট থাকার চেষ্টা করে দুই দেশের সরকার। কিন্তু তা সত্ত্বেও অভিবাসীদের এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা থামানো সম্ভব হচ্ছে না।