NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

বিয়ের বাজার করতে গিয়ে সড়কে প্রাণ হারালেন প্রবাসী যুবক


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জুলাই, ২০২৪, ০৯:১৫ পিএম

বিয়ের বাজার করতে গিয়ে সড়কে প্রাণ হারালেন প্রবাসী যুবক

বিয়ে উপলক্ষে চার দিন আগে দেশে ফিরে আসেন সৌদিপ্রবাসী জুয়েল মাহমুদ (৩৪)। আগামী ২৪ জুলাই তার বিয়ে হওয়ার কথা। এ জন্য দেশে ফিরেই শুরু করেন বিয়ের জন্য কেনাকাটা। কিন্তু তার আর বিয়ে করা হলো না।

আজ বুধবার সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন তিনি। এদিন  বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌর সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিহত জুয়েল উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের পূর্ব ধর্মপুর গ্রামের মো. শাহাজানের ছেলে। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন জুয়েলের মা-বাবা ও স্বজনরা।

তাদের আহাজারিতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সৌদিপ্রবাসী জুয়েলের সঙ্গে একই উপজেলার এক মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়। এমনকি তাদের মোবাইলে আকদও সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২৪ জুলাই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বউকে ঘরে তোলার প্রস্তুতি চলছিল।

বুধবার বিয়ের কেনাকাটা করতে সীতাকুণ্ড পৌর সদরে আসেন জুয়েল। কেনাকাটা শেষে বাসায় ফেরার সময় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তাকে অজ্ঞাত গাড়ি চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 

 

বারৈয়াঢালার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রেহান উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ছেলেটি বিয়ে করতে দেশে এসেছে। আকদ হয়ে যাওয়া স্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে আনার আয়োজন চলছিল।

কিন্তু এর আগেই গাড়িচাপায় মারা গেল সে। খবর পেয়ে আমি তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে শোকের মাতম চলছে।’ 

 

কুমিরা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমরা দুর্ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই লাশ বাড়িতে নিয়ে যায় তার স্বজনরা। এ জন্য আমরা বিস্তারিত তথ্য পাইনি।’

এদিকে দুর্ঘটনার পরে একমাত্র ছেলের লাশ বাড়ি পৌঁছানোর পর পাগলের মতো প্রলাপ বকছেন জুয়েলের মা-বাবা। তাদেরকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছিলেন স্বজনরা। সবার এককথা, একি হয়ে গেল। কী করে এই শোক সইবেন হতভাগ্য মা-বাবা। 

এলাকার লোকজন জানায়, যে বাড়িতে শানাই বাজার প্রস্তুতি চলছিল, সেখানে এখন মা-বাবার গগন বিদারী আর্তনাদ। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই কারো।