NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

মেক্সিকো সীমান্তে বিধিনিষেধ আরোপ বাইডেনের


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ জুন, ২০২৪, ০৮:৩০ এএম

মেক্সিকো সীমান্তে বিধিনিষেধ আরোপ বাইডেনের

নির্বাচনের আগে মেক্সিকো সীমান্ত নিয়ে কঠোর অবস্থান নিলো বাইডেন প্রশাসন। এর ফলে অবৈধভাবে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা এই সীমান্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে না।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ সম্পর্কিত একটি আদেশে সই করেছেন। এতে অবৈধভাবে মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

 

আদেশে বলা হয়েছে, কেউ অনুপ্রবেশ করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ডিপোর্ট করার অর্থাৎ, মেক্সিকোয় ফিরিয়ে দেওয়ার ব্য়বস্থা করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে তাকে কোনো রকম ইমিউনিটি বা সুযোগ দেওয়া হবে না।

তবে অভিভাবকহীন শিশুরা অবশ্য়ই এই আইনের অন্তর্গত নয়। অর্থাৎ, তাদের জন্য় এই নিয়ম প্রযোজ্য় নয়। তবে পরিকল্পনা করে নিয়ম মেনে কেউ শরণার্থী হওয়ার আবেদন করতেই পারেন। কিন্তু অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করা যাবে না।

 

আদেশে সই করে হোয়াইট হাউজে বাইডেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত সুরক্ষিত করতে আজ যে সিদ্ধান্ত নিলাম, রিপাবলিকানরা তা এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষিত রাখা আমাদের কর্তব্য়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মেক্সিকোর এক হাজার ৯০০ মাইলের সীমান্ত। বাইডেনের আমলে এই সীমান্ত দিয়ে রেকর্ড সংখ্য়ায় অনুপ্রবেশ ঘটেছে। ডিসেম্বরে দৈনিক অনুপ্রবেশের সংখ্য়া ছিল দশ হাজার। গত কয়েকমাসে সেই সংখ্যা কমলেও অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়নি।

 

সম্প্রতি জনমত জরিপে দেখা গেছে, নির্বাচনে এই অবৈধ অনুপ্রবেশ বাইডেনের বিপক্ষে জনমত তৈরি করছে। তারপরেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।