NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, মে ৭, ২০২৬ | ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয় : ডেপুটি স্পিকার বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধে চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারকে কী রয়েছে গাড়ি থামিয়ে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা ‘আমার জীবনে বটগাছ হয়ে থেকো’, ওমর সানীর জন্মদিনে মৌসুমী ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত, শান্তি চুক্তির নতুন আশাবাদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি বাতিলের পথে না গিয়ে এগোতে চায় সরকার: অর্থ উপদেষ্টা অন্য দেশের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন : মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট আমলে দখল হওয়া খাস জমি উদ্ধার করা হবে : ভূমিমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি নয়, খড়কুটো আঁকড়ে ধরার চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের
Logo
logo

সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি: ঝুঁকিতে জ্বালানি তেলের আমদানি-রপ্তানি


খবর   প্রকাশিত:  ২২ মে, ২০২৪, ০৯:২৩ এএম

সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি: ঝুঁকিতে জ্বালানি তেলের আমদানি-রপ্তানি

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে জ্বালানি তেলের আমদানি-রপ্তানি। বিশেষ করে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর বেশি প্রভাব পড়তে পারে।

এসব দেশ ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের টার্মিনালগুলো বন্যায় প্লাবিত হতে পারে। মঙ্গলবার (২১ মে) গবেষকরা সতর্ক করে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

 

অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে বরফ গলে যাচ্ছে। এতে বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, যা শুধু মূল তেল বন্দরগুলোকে ডুবিয়ে দেবে বা বিশ্বব্যাপী তেল বাণিজ্যকে ব্যাহতই করবে না বরং উপকূলীয় শোধনাগার ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাগুলোকেও প্লাবিত করবে।

 

জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেলের ২০২১ সালের একটি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী চলতে থাকলে শতাব্দীর শেষ নাগাদ গড় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটারেরও বেশি বাড়তে পারে। অথবা দুই মিটার বৃদ্ধির বিষয়টিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

ক্রুড অয়েল আমদানি-রপ্তানির বন্দরগুলোর অবকাঠামো সম্পর্কে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিডব্লিউআর জানিয়েছে, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে নিচু বন্দর ও বাঙ্কারিং সুবিধাগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

বলা হয়েছে, যদি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটার বাড়ে, তাহলে বিশ্বের শীর্ষ ১৫টি ট্যাংকার টার্মিনালের মধ্যে ১২টির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। যার মধ্যে পাঁচটিই এশিয়াভিত্তিক।

 

এক্ষেত্রে সৌদি আরব, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে রপ্তানি করা ক্রুড অয়েলের ৪২ শতাংশ পর্যন্ত ঝুঁকিতে রয়েছে।