NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও ইরাকের মিলিশিয়া নেতার মাথার দাম ১ কোটি ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদের নামে ‘অশালীন ভিডিও’ ধারণ, যা বললেন মিম, পরীমনিরা এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
Logo
logo

মামলায় জিতে লন্ডনের ব্যয়বহুল প্রাসাদ পেলেন বাদশাহর স্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৭:১৬ এএম

মামলায় জিতে লন্ডনের ব্যয়বহুল প্রাসাদ পেলেন বাদশাহর স্ত্রী

সৌদি আরবের প্রয়াত বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদের এক বিধবা স্ত্রী, সৌদি রাজপরিবারের একজন সদস্য, আইনি লড়াইয়ে লন্ডনে ‘বিলিওনিয়ার’স রো’ নামে পরিচিত একটি প্রাসাদের মালিকানা পেয়েছেন। এই রায় সৌদি রাজপরিবারের উত্তরাধিকার বিরোধের এক বিরল দৃষ্টান্ত। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

 

মামলার এজহারে জানা গেছে, ১৯৭৪ সালে প্রয়াত বাদশাহ ফাহাদ প্রতিষ্ঠিত লিচেনস্টাইন-ভিত্তিক অ্যাস্টুরিয়ন ফাউন্ডেশন উত্তর লন্ডনের বিশপস অ্যাভিনিউয়ে কেনস্টেড হলের মালিকানা দাবি করে। তবে যুক্তরাজ্যের একজন বিচারক অ্যাস্টুরিয়ন ফাউন্ডেশনের আনা মালিকানার দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। কেনস্টেড হলের মূল্য প্রায় ১ কোটি পাউন্ডের অধিক। এভিনিউটি লন্ডনের অন্যতম ব্যয়বহুল রাস্তা।

মামলাটি সৌদি রাজপরিবারের মধ্যে একটি উত্তরাধিকার বিরোধের এক বিরল দৃষ্টান্ত। কারণ সাধারণত সম্পদের বিষয়াবলি সৌদি রাজপরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ও গোপন থাকে। সৌদি রাজ পরিবারের ফ্রান্স, জার্মানি এবং স্পেনের অন্যান্য সম্পত্তি নিয়ে বড় এক বিরোধের অংশ ছিল লন্ডনের বাড়িটি। এসব সম্পত্তির মালিকানা ২০০৫ সালে বাদশাহ ফাহাদের মৃত্যুর পরপরই হস্তান্তরিত হয়েছিল।

 

বাদশাহ ফাহদের বিধবা স্ত্রী আল জাওরাহ বিনতে ইব্রাহিম আবদুল আজিজ আল ইব্রাহিম বলেন, প্রয়াত বাদশাহর নির্দেশেই বোর্ডের একজন সদস্য এসব সম্পত্তির মালিকানা স্থানান্তর করেন বলে আদালত রায় দিয়েছে। বাদশাহ তাঁর স্ত্রীকে এসব সম্পত্তি স্বেচ্ছায় দিচ্ছেন—সংবলিত একটি হস্তলিখিত নোটও উদ্ধৃত আদালতে উত্থাপন করা হয়।