NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

রায়েরবাজারে বাসা থেকে নারী সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:৩৪ পিএম

>
রায়েরবাজারে বাসা থেকে নারী সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর রায়েরবাজারের একটি বাসা থেকে অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের সাবেক সহ-সম্পাদক সোহানা তুলির (৩৮) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৩ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রায়েরবাজারে ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

হাজারীবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তারুজ্জামান বলেন, রায়েরবাজারের শেরেবাংলানগর রোডের বাসায় নন্দিতা নামের এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতেন সোহানা। বিকেলে নন্দিতা বাসায় এসে দরজা নক করে তুলির সাড়া পাচ্ছিল না। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে কেয়ারটেকারসহ আশপাশের বাসিন্দারা এসে দরজা ভেঙে দেখেন নিজ কক্ষের ভেতর তুলি ঝুলে আছেন।

ওসি বলেন, এরপর হাজারীবাগ থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। সোহানা তুলির গ্রামের বাড়ি যশোর সদরের বটতলা এলাকায়। তিনি রায়েরবাজারের শেরেবাংলানগর রোডের বাসায় ২০১৮ সাল থেকে ভাড়ায় থাকতেন।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনে সহ-সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন সোহানা তুলি। ২০২০ সালে সাংবাদিকতা ছেড়ে মনোহর নামে একটি অনলাইন শপ খুলে সেখানে মসলা জাতীয় পণ্য বিক্রি করতেন।

পরিবারের দাবি, হয়ত কেউ তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখতে পারে। কারণ তুলির মরদেহ হাঁটুগেড়ে ঝুলে ছিল।