NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

গাম্বিয়ায় ভারতীয় সিরাপেই মৃত্যু হয়েছে ৭০ শিশুর


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ নভেম্বর, ২০২৪, ০৪:৫০ এএম

গাম্বিয়ায় ভারতীয় সিরাপেই মৃত্যু হয়েছে ৭০ শিশুর

আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ায় গত বছর কাশির সিরাপ খাওয়ার পর মৃত্যু হয় কয়েকটি শিশুর। ওই সময় অভিযোগ করা হয় ভারত থেকে আমদানিকৃত সিরাপে প্রাণ গেছে তাদের। এমন গুরুতর অভিযোগের পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেশটির সরকার।

সরকার গঠিত সেই তদন্ত কমিটি শুক্রবার (২১ জুলাই) জানিয়েছে, ভারতীয় কোম্পানির উৎপাদিত চারটি সিরাপ খাওয়ার পরই কিডনি বিকল হয়ে অন্তত ৭০ শিশু মারা গেছে।

গাম্বিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তার আহামাদু লামিন সামাতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এই সিরাপগুলো আমদানির ক্ষেত্রে— পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে শুরু করে সবকিছুতে ত্রুটি ছিল। এমনকি এগুলো তাদের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থায় (এমসিএ) নিবন্ধিতও ছিল না।

শিশু মৃত্যুর ঘটনায় এমসিএ-র প্রধানকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এছাড়া ওষুধগুলোর ঝুঁকি যাচাই-বাছাই না করে আমদানি অনুমতি দেওয়ায় তত্ত্বাবধানকারী ফার্মাসিস্টের ওপর দায় চাপিয়েছেন তিনি।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি প্রথম সামনে আসে। এরপর দেশটির সরকার কয়েকটি কাশির সিরাপ ও ঠান্ডার ওষুধ পরীক্ষার নির্দেশ দেয়। যেটির মধ্যে ছিল ভারতের মেইডেন ফার্মাসিউটিক্যালসের পণ্য। এ প্রতিষ্ঠানটিই এই ভেজাল সিরাপ তৈরি করেছিল।

পরবর্তীতে গাম্বিয়া ভারতের সব ওষুধ পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ওই সিরাপগুলোতে ‘অগ্রহণযোগ্য পরিমাণ’ ডাইথেলিন গ্লাইকোল এবং ইথিলেন গ্লাইকোল মেশানো হয়েছিল। এগুলো জমাটবিরোধী পদার্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আর এই বিষাক্ত পণ্য কেউ পান করলে বা খেলে তা জীবনহানিকর হতে পারে।

গাম্বিয়ার তদন্তকারী দল দেশটিতে একটি কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি স্থাপন করার পরামর্শ দিয়েছে। যেন বাইরের দেশ থেকে আসা ওষুধ পণ্য পরীক্ষা করে এরপর বাজারে ছাড়া যায়।