NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০২৬ | ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় বন্দুকধারীর হানা, সরিয়ে নেওয়া হলো ট্রাম্পকে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় পূজা চেরীর বাবা কারাগারে মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার, সরকারের কর্মকাণ্ডে এইচআরডব্লিউর উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাও
Logo
logo

পাকিস্তানে অনিশ্চিত পেপসি-কোকের ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনা


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৮:৫৬ এএম

>
পাকিস্তানে অনিশ্চিত পেপসি-কোকের ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনা

এশিয়ার দেশ পাকিস্তান বর্তমানে ডলার সংকটে ভুগছে। গত ১০ বছরের মধ্যে তাদের বৈদশিক রিজার্ভের পরিমাণ সবচেয়ে কমেছে। আর এ কারণে দেশটিতে এখন থমকে গেছে আমদানি-রপ্তানি।

ফলে যেকোনোভাবে এখন ডলার আনতে চাইছে পাকিস্তান। আর এমন সংকটের মধ্যে দেশটিতে ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনা করেছে বিশ্বের দুই বৃহৎ কোমলপানীয় প্রতিষ্ঠান পেপসি ও কোকাকোলা। কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে জানিয়েছিল, পেরেন্ট কোম্পানির কাছ থেকে ঋণ বাবদ এ অর্থ পাকিস্তানে নিয়ে আসবে তারা।

তবে পেপসি-কোকাকোলার ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনাটি অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। মূলত পাকিস্তান সরকার কোমলপানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ৪ শতাংশ ফেডারেল আবগারি শুল্ক বা ‘সুগার ট্যাক্স’ আরোপ করার প্রস্তাব দিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছে এ দুই কোম্পানি। তারা ইঙ্গিত দিয়েছে ‘সুগার ট্যাক্স’ আরোপ করা হলে কোমলপানীয়র দামই শুধু বৃদ্ধি পাবে না, সঙ্গে থমকে যেতে পারে ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনাও।

এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের কাছে একটি চিঠিও লিখেছে কোকাকোলা এবং পেপসি। তারা জানিয়েছে, এ ধরনের কর ‘অন্যায়’ কারণ এটি শুধুমাত্র কার্বোনেটেড ড্রিংসের উপরই আরোপ করা হয়।

তারা আরও জানিয়েছে, এমনিতেই কোমলপানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যান্য খাতগুলোর তুলনায় বেশি কর দেয়। এখন যদি নতুন করে আরও কোনো কর আরোপ করা হয় তাহলে পাকিস্তানে এ ইন্ডাস্ট্রি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় পড়বে।