NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

চীনের করোনা পরিস্থিতি : বৃদ্ধ আত্মীয়দের কাছে না যেতে অনুরোধ


খবর   প্রকাশিত:  ২০ এপ্রিল, ২০২৫, ০১:৪৫ পিএম

>
চীনের করোনা পরিস্থিতি : বৃদ্ধ আত্মীয়দের কাছে না যেতে অনুরোধ

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চীনে টানা তিন বছর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ ছিল। কিন্তু ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে সেগুলো শিথিল করা হয়।

কঠোরতা শিথিল করায় আশঙ্কা করা হচ্ছে, অনেক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যেতে পারেন। আর এই আশঙ্কা থেকে বৃদ্ধ আত্মীয়দের সঙ্গে আপাতত দেখা না করতে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানিয়েছে দেশটির মহামারী প্রতিরোধ দল।

২০২২ সালের শেষ দিকে কঠোর লকডাউনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামেন সাধারণ মানুষ। তাদের বিক্ষোভের জেরেই বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। কিন্তু এমন সময় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, যখন হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ।

এই সংক্রমণ বৃ্দ্ধির মধ্যে এবার কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়া নতুন সৌর বছর উদযাপন করবে চীন। এ সময়টায় দেশটির সাধারণ মানুষ কর্মক্ষেত্র বা অস্থায়ী বাসস্থান থেকে গ্রাম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিজেদের বাড়িতে যান। আর তাই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে করোনা দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে করে করোনায় সংক্রমিত হয়ে অনেকে মারা যেতে পারেন। আর এ বিষয়টি চিন্তা করেই বৃদ্ধদের সংস্পর্শে যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

চীনের মহামারী প্রতিরোধ দলের সদস্য প্রফেসর গু জিয়ানওয়েন বলেছেন, ‘বৃদ্ধ আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যাবেন না, যদি না তারা আগে করোনায় আক্রান্ত না হয়ে থাকেন।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘যদি সত্যিই আপনি সবদিক দিয়ে তাদের কথা ভাবেন, তাহলে তাদের বাড়িতে ভাইরাস নিয়ে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।’

চীনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, রাজধানী বেইজিংসহ বড় বড় শহরগুলোতে সংক্রমণ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু এখন তাদের ভয় হলো প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো নিয়ে।

কারণ এসব স্থানে মহামারী সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই।