NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

বিশ্বকাপের ফাইনালে ‘শান্তির বার্তা’ দিতে চান জেলেনস্কি, ফিফার না


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০১:৫২ এএম

>
বিশ্বকাপের ফাইনালে ‘শান্তির বার্তা’ দিতে চান জেলেনস্কি, ফিফার না

কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে রোববার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স। লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে হবে ম্যাচটি।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ভিডিও কল বা রেকর্ড করা ভিডিওর মাধ্যমে ‘শান্তির বার্তা’ দিতে চেয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে অপ্রত্যাশিতভাবে তার এ আবেদন ফিরিয়ে দিয়েছে ফুটবল বিশ্বের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

সিএনএন আরও জানিয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ফিফার পক্ষ থেকে নেতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর অবাক হয়েছেন তারা। কিন্তু বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে জেলেনস্কি যেন শান্তির বার্তা দিতে পারেন সে বিষয়টি নিয়ে তারা এখনো আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এটি নিশ্চিত নয় জেলেনস্কির বার্তাটি আগে রেকর্ড করা হবে নাকি তিনি ভিডিও কলের মাধ্যমে সরাসরি যুক্ত হবেন।

সূত্রটি বলেছে, ‘আমরা মনে করি ফিফা তাদের মঞ্চকে ভালোর জন্য ব্যবহার করতে চাইবে।’

জেলেনস্কির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার বিষয়ে জানতে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সিএনএন। তবে এ ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো মন্তব্য করেনি ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

এদিকে বিশ্বকাপ ফুটবলে কোনো বিশ্ব নেতার আলাদা বা বিশেষভাবে বক্তব্য দেওয়ার প্রচলন নেই। তবে জেলেনস্কি যে অনুরোধ জানিয়েছেন সেটি আবার অবাক করার মতোও না। কারণ রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর বড় বৈশ্বিক আয়োজনগুলোতে ভিডিও কলের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কথা বলেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। বিশ্ববাসীর কাছে ইউক্রেনের দুঃখ ও দুর্দশার কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি।