NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬ | ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে করা হবে : প্রধানমন্ত্রী ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় সম্ভাব্য সব কিছু করব : পুতিন যুদ্ধে অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএর গলফ টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘দৌড়’ বিজেপি ছাড়তেই অভিনেত্রীকে ধর্ষণের হুমকি আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প
Logo
logo

বাংলাদেশ-ভারত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০২:২৬ পিএম

>
বাংলাদেশ-ভারত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের আসাম আইনসভার স্পিকার বিশ্বজিৎ দাইমারির নেতৃত্বে সংসদীয় প্রতিনিধিদল।

সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশ-ভারত সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, দু’দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

রোববার সাক্ষাৎকালে ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ আতিউর রহমান আতিক, হুইপ ইকবালুর রহিম ও সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতের তৎকালীন সরকার প্রধান ইন্দিরা গান্ধীর কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও আদর্শিক নেতৃত্বই দু’দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত স্থাপন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সম্পর্ক আরও প্রতিষ্ঠিত ও সুসংহত হয়। মুজিব শতবর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর দু’দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে জোরদার করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঙ্গার পানিবন্টন চুক্তি, ভারতের সঙ্গে স্থল সীমানা চুক্তিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। 

এছাড়া আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারতের সম্পর্ক কিভাবে সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচাইতে সুসংহত করা যায় সে বিষয়ে দু’দেশকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান স্পিকার।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বৈশ্বিক সংকটময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও ভারত শুধু ভৌগোলিক সীমান্তেই আবদ্ধ নয়, পঞ্চাশ বছর ধরে দুই দেশের শিল্প, সাহিত্য, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ নানাক্ষেত্রে পারস্পারিক সহযোগিতা লক্ষ্যণীয়। ভারত বাংলাদেশের সবচাইতে পুরোনো বন্ধু। মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে অকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের নিরীহ মানুষের ওপর পাকিস্তানের গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় ও সার্বিক সহযোগিতা দেয় ভারত। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে নিরলস কাজ করছেন। পদ্মাসেতু বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বঙ্গবন্ধু টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। কোভিডের বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকারের যুগোপযোগী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশে খাদ্য সংকট হয়নি।

বাংলাদেশ ও ভারতের সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে আসাম বিধানসভার স্পিকার বিশ্বজিৎ দাইমারি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ভারতের অকৃত্রিম বন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার মূর্ত প্রতীক। বাংলাদেশের চলমান অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়ন সত্যি অনুসরণীয়। বাংলাদেশের সংসদে উল্লেখযোগ্য নারী সংসদ সদস্যের অংশগ্রহণ প্রশংসনীয়।