NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস


খবর   প্রকাশিত:  ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০৪ এএম

না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস

চলে গেলেন জনপ্রিয় ফরাসি-মরক্কো অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) প্যারিসের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। প্রায় এক সপ্তাহ কোমায় থাকার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।

 

নাদিয়ার দুই কন্যা সিলিয়া ও শানা চ্যাসম্যান এক বিবৃতিতে তাদের মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, ফ্রান্স একজন মহান শিল্পীকে হারাল, আর আমরা হারালাম আমাদের মাকে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লে ফিগারো’র তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ এপ্রিল প্যারিসের একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের সুইমিংপুলে নাদিয়াকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। একজন সহসাঁতারু তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা (সিপিআর) দেন।

এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে ‘মেডিক্যাল কোমা’য় রাখেন। সেখানেই শুক্রবার তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও প্রাথমিকভাবে কোনো অপরাধের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

 

মায়ের মৃত্যুতে বড় মেয়ে সিলিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবেগঘন এক বার্তা দিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, জীবন যে রাতারাতি কতটা বদলে যেতে পারে, তুমি আমাকে তা শিখিয়ে দিয়ে গেলে। তুমি আমাদের জন্য লড়াই করেছ, তোমাকে ধন্যবাদ।

 

১৯৬৮ সালে মরক্কোর মারাকেশে জন্ম নেওয়া নাদিয়া বড় হয়েছেন ফ্রান্সের নিস শহরে। ১৯৯২ সালে ‘মাই ওয়াইফস গার্লফ্রেন্ডস’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক হয়। তবে ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া পুলিশ থ্রিলার ‘দ্য ক্রিমসন রিভার্স’ তাকে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি এনে দেয়।

২০০৯ সালে স্বামী ও প্রযোজক স্টিভ চ্যাসম্যানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার পর তিনি অভিনয় থেকে বিরতি নেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালে নেটফ্লিক্সের ‘মার্সেই’ সিরিজের মাধ্যমে আবারও অভিনয়ে ফেরেন এই গুণী শিল্পী। ২০২২ সালে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি পাকাপাকিভাবে ফ্রান্সে ফিরে এসেছিলেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে ফরাসি চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।