NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

কোথায় থামবে পদত্যাগের মিছিল!


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০৪ এএম

কোথায় থামবে পদত্যাগের মিছিল!

কোথায় গিয়ে থামবে এই পদত্যাগের লাইন? আদৌ কি থামবে? এই মুহূর্তে এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে দেশের ক্রিকেট মহলে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের সর্বশেষ নির্বাচনের এখনো ছয় মাসও পূর্ণ হয়নি। এরই মধ্যে সাতজন পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। গত পরশু বোর্ড সভার পর পদত্যাগ করেন চারজন।

স্বাভাবিকভাবেই আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বোর্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে চারদিকে প্রশ্ন উঠছে!

 

পদত্যাগের এই ধারা শুরু হয়েছিল ইশতিয়াক সাদিককে দিয়ে। এরপর আমজাদ হোসেন, ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল হয়ে পরিচালক পদ থেকে সরে দাঁড়ান ফাইয়াজুর রহমান, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম ও মনজুর আলম। পদত্যাগপত্রে প্রায় সবাই ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। তবে গতকাল ফাইয়াজুর রহমান স্বীকার করেন যে বোর্ডে তাঁর কাজের স্বস্তিদায়ক পরিবেশ ছিল না।

তিনি বলেন, ‘অন্যদের কথা বলতে পারব না। তবে আমি বোর্ডে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছিলাম না। কিছু বিষয় ঘটছিল, যেগুলো আমার পছন্দ হচ্ছিল না।’

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া ফারুক আহমেদকে পরিচালকদের অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে যে প্রক্রিয়ায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বর্তমান বোর্ডও কি সেই পথেই এগোচ্ছে—এমন প্রশ্নে ফাইয়াজুর বলেন, ‘আমরা তো চলেই এসেছি, কোনো অনাস্থা দিইনি।

তখন অনাস্থা দেওয়া হয়েছিল।’ তবে ফাইয়াজুরের পরের কথায় বর্তমান বোর্ডের কাজের অসামঞ্জস্যতা ফুটে ওঠে বেশ ভালোভাবে। বিশেষ করে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ আয়োজন ঝুলে থাকা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি তো ক্লাবের মানুষ। প্রিমিয়ার লিগ হচ্ছে না এটা খুব সাংঘাতিক ব্যাপার। আমি কাউকে দোষারোপ করছি না, তবে একটি পক্ষ তাদের অবস্থানে অনড়।
তাদের দিক থেকে সেটা ন্যায্য হতে পারে। একই সঙ্গে আমার মনে হয়, এখানে বোর্ডের চেষ্টার ঘাটতি রয়েছে। আরো যোগাযোগ করা যেত, আলোচনা করা যেত। সিসিডিএমের চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান ছাড়াও বোর্ডের কর্তাব্যক্তিরা বসতে পারতেন। শুধু সভাপতির কথা বলছি না, তার নিচেও লোক আছেন। কিন্তু সেটি হয়নি। ক্লাবগুলোর সভাপতিরা অনেক সিনিয়র ও সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁদের সঙ্গে যথাযথ প্রক্রিয়ায় যোগাযোগ হয়নি। এসব বিষয়ও আমার কাছে স্বস্তিকর মনে হয়নি।’