NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনে ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় আইসিসি


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ এএম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আয়োজনে ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় আইসিসি

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না পাকিস্তান— এমন খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। পরিস্থিতি সামাল দিতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বৈশ্বিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে আইসিসি ব্যাক-চ্যানেল আলোচনায় (অনানুষ্ঠানিকভাবে চলা আলোচনা বা যোগাযোগ) যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আলোচনার নেতৃত্ব দিতে নাকি আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ইমরান খাজা শিগগিরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)-এর সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বলে জানা গেছে। আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো, পিসিবিকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনায় রাজি করানো এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বহুল আলোচিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি আয়োজন নিশ্চিত করা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতীয় মিডিয়ায় ইমরান খাজার ভূমিকাকে ‘শান্তিদূত’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয় যে, জাতীয় দল নির্ধারিত বিশ্বকাপ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না।

এই ঘোষণার পর থেকেই বিশ্বকাপের সূচি ও বাণিজ্যিক দিক নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।

 

তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, এখনো পর্যন্ত পিসিবি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে আইসিসিকে তাদের সিদ্ধান্ত জানায়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান তাদের অবস্থান বদলাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।