NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

মেঘনা আলমের গয়না-গাড়ি নেই, পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ এএম

মেঘনা আলমের গয়না-গাড়ি নেই, পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক

মডেল মেঘনা আলমের কোনো নেই কোনো গয়না, গাড়ি বা আসবাব। পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হলেও আয় করেন ব্যবসা থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে এমনই তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।

এ নির্বাচনে মতিঝিল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন ও শাহজাহানপুর থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচন করবেন মেঘনা আলম।

এরই মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। গত ২৮ ডিসেম্বর এ আসনে গণ অধিকার পরিষদ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তিনি।

 

জমা দেওয়া হলফনামার তথ্যে দেখা গেছে, মেঘনা আলম পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা রাজনৈতিক শিক্ষা বিষয়ে বিশেষায়িত পেশাগত প্রশিক্ষণ সনদপ্রাপ্ত।

 

 

আয়ের উৎসে মেঘনা আলম উল্লেখ করেছেন, ব্যবসা থেকে বছরে আয় করেন ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। আর নগদ টাকা আছে ২২ হাজার ৪৬৮ টাকা।

তিনি আরো জানিয়েছেন, সিটি ব্যাংকে তার ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার এফডিআর করা আছে। ক্রেডিট কার্ডে ১ লাখ ৫ হাজার ৮৭ টাকা দায় আছে।

সর্বশেষ আয়কর রিটার্নে তিনি ২৯ লাখ ৬৮ হাজার ৩৮১ টাকার সম্পদের বিবরণ দিয়েছেন। আয়কর দিয়েছেন ৮ হাজার টাকা।

 

হলফনামায় আরো বলা আছে, মেঘনা আলমের অকৃষি জমি আছে শূন্য দশমিক ৬৫২৫ শতাংশ।


 

ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেঘনা আলম ছাড়াও এই আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ মোট ১১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল।

বাছাই চলবে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর একই সঙ্গে সংসদ ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।