NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হুমকিতে বিশ্ব : আইইএর প্রধান হরমুজে মাইন বসাতে দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের চরিত্রের প্রয়োজনে পবিত্র কোরআন শিখেছিলেন ইয়ামি গৌতম দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’
Logo
logo

কাবাব, বিরিয়ানিসহ নানা স্বাদের খাবার, লখনউকে ‘গ্যাস্ট্রোনমি’র স্বীকৃতি দিল ইউনেসকো


খবর   প্রকাশিত:  ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১২ এএম

কাবাব, বিরিয়ানিসহ নানা স্বাদের খাবার, লখনউকে ‘গ্যাস্ট্রোনমি’র স্বীকৃতি দিল ইউনেসকো

মুখরোচক কাবাব, সুগন্ধি বিরিয়ানি এবং মিষ্টি—ভোজনরসিকদের কাছে ভারতের লখনউ মানেই এক টুকরো স্বর্গ। স্থানীয় বাসিন্দা বা পর্যটক, লখনউয়ের খাবারের জাদুতে মজে থাকেন সবাই।

গত মাসে ইউনেসকো লখনউকে ‘ক্রিয়েটিভ সিটি অব গ্যাস্ট্রোনমি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এটি বিশ্বের নির্বাচিত কিছু শহরের তালিকায় যুক্ত হয়েছে এবং আশা জাগিয়েছে, লখনউর অসাধারণ খাবারের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো ছড়িয়ে পড়বে।

 

 

২০০৪ সালে ইউনেসকো সিদ্ধান্ত নেয়, বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী শহরগুলোকে সাহিত্য, সংস্কৃতি, লোকশিল্প ও খাদ্য সংস্কৃতির নিরিখে বিবেচনা করে ‘দ্য ক্রিয়েটিভ সিটিজ নেটওয়ার্ক’-এর আওতায় আনা হবে। এর মধ্যে খাবারের ঐতিহ্য, তার ধারাবাহিকতা ও উদযাপনের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয় এই ক্রিয়েটিভ সিটি অব গ্যাস্ট্রোনমির তকমা। বিশ্বের ৪০৮টি শহর এই নেটওয়ার্কে।

ইউনেসকোর দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক টিম কার্টিস বলেন, ‘এই স্বীকৃতি লখনউয়ের গভীর খাদ্য ঐতিহ্য ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকেই তুলে ধরে।

এটি শহরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন পথ খুলে দেবে।’ লখনউ ভারতের দ্বিতীয় শহর হিসেবে এই তালিকায় এসেছে। এর আগে হায়দরাবাদ ২০১৯ সালে নির্বাচিত হয়েছিল।

 

শহরের বাসিন্দা এবং খাবারের প্রেমীদের জন্য এটি নতুন কোনো বিস্ময় নয়।

অনেকেই বলছেন, ‘দেরি হলেও হয়েছে। এটি আগে হওয়া উচিত ছিল।’ ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশের রাজধানী এই লখনউ। কোলাহলপূর্ণ, বৈচিত্র্যময় এই শহরটির আত্মা আসলে লুকিয়ে আছে এর খাবারে। 

 

‘সনৎকদা ট্রাস্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা মাধবী কুক্রেজা বিবিসিকে বলেন, ‘এখানকার খাবারের আসল রহস্য হলো ধীরে ধীরে রান্না করার পদ্ধতি এবং সময়।

 

তিনি বলেন, ‘কী রান্না হবে, কিভাবে রান্না হবে?—এটি অধিকাংশ বাড়িতে সকালে উঠার সময় থেকে রাতের ঘুম পর্যন্ত চলমান আলোচনা। আর আসলেই আপনার রান্নাঘরের খাবারের মান দিয়ে আপনাকে বিচার করা হয়।’ তবে খাবারের প্রতি এই মনোযোগ নতুন নয়। শহরের খাদ্যসংস্কৃতিকে সংজ্ঞায়িত করা বহু শতাব্দী পুরনো কিছু রান্নার রেসিপির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

লখনউ মানেই যে শুধু মাংসের পদ, তা নয়, স্থানীয় বানিয়া সম্প্রদায়ের সুবাদে এখানে নিরামিষ খাবারেরও দারুণ কদর। মৌসুমি সবজির পাশাপাশি হরেক পদের মিষ্টি আর ‘চাট’-এর মতো মুখরোচক স্ট্রিট ফুড লখনউকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। শহরের অলিগলিতে ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট দোকানগুলো স্থানীয় ভোজনরসিকদের কাছে একেকটি ‘লুকানো রত্ন’। কাবাব বা বিরিয়ানিসহ কোরমা, শিরমাল (এক ধরনের জাফরানি রুটি) কিংবা শাহি টুকরার (ব্রেড পুডিং) মতো পদের জন্যও লখনউ বিখ্যাত।